মৌলভীবাজারে ঢিলেঢালা ভাবে পালিত ১ম দিনের লকডাউন

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

বাড়ছে সংক্রমণ, সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে মৃত্যু। এ অবস্থায় ঈদুল আযহার পরপরই ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের প্রথমদিনে জনশূন্য পর্যটন জেলা শহর মৌলভীবাজার।

গতকাল শুক্রবার হওয়ায় এ শূন্যতা আরও তীব্র। এই দফায় লকডাউনের প্রথমদিন শুক্রবার (২৩ জুলাই) শহরের মোড়ে মোড়ে র্যাব-পুলিশের টহল ছাড়া যানবাহন ও মানুষের চলাচল খুব একটা চোখে পড়েনি। তবে মাঝে মাঝে দু-একটা প্রাইভেট গাড়ি, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলতে দেখা যায়।

আন্তঃজেলা সড়ক মহাসড়কেও নেই কোনো যানবাহন। ওষুধের দোকান ছাড়া বন্ধ রয়েছে সব ধরনের দোকানপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই লকডাউনে কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সদস্যদের।

সকাল থেকে মৌলভীবাজার জেলা শহরের ব্যস্ততম এলাকা চৌমুহনী, কুসুমবাগ, বেরিরপাড়, ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, চাঁদনীঘাট, শমসেরনগর রোড, কোর্ট রোডসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে জনশূন্য মৌলভীবাজার শহরের চিত্র।

সরকারের আহ্বানে শহরবাসী এখন ঘরে বন্দি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স কিংবা জরুরি খাদ্যপণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়। মাঝে মাঝে গণমাধ্যমকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বহনকারী গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে।

লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে সুরমা টাইমস এর প্রতিনিধি জানান, পর্যটন ও বাণিজ্যিক শহর শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার দিনভর ছিল অনেকটা জনশূন্য। পর্যটক নেই, যানবাহন চলাচলও কম ছিল।

কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা, জুড়ী ও রাজনগর উপজেলা শহরগুলোতেও যানবাহন চলাচল কম ছিল। শুক্রবার হওয়ায় জনসমাগমও কম ছিল। তবে গ্রাম-জনপদে লকডাউন বা স্বাস্থ্যবিধি খুব একটা মানতে দেখা যায়নি।

Loading...