অনিয়ম-দুর্নীতির আঁতুড়ঘর নগরীর ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়

রাম রাজত্ব কায়েম করছেন স্বঘোষিত প্রধান শিক্ষক শাহীনা সুলতানা::

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন::

সিলেট নগরীর মিরের ময়দানে অবস্থিত ১৯৮১ সালে গড়া উঠা ঐতিহ্যবাহী ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয় । বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০০ এবং শিক্ষকদের সংখ্যা ৪৩ জন। কালের পরিক্রমায় এটি ২০০৬ সালের দিকে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং পরে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পদাধিকারে বিদ্যালয়টির সভাপতি নির্বাচিত হন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল। এই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রিন্সিপাল ডা. মঈনুল হক বিদ্যালয়টির সভাপতি। তিনি ২০১৯ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু একজন শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা এবং কুকর্মের জন্য অনিয়ম ও দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে পরিণত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয় ।

সিলেটে ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহীনা সুলতানার অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ বিদ্যালয়ের কর্তব্যরত শিক্ষকরা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের সুপারিশে বিদ্যালয়টির মাধ্যমিক শাখা ২০২০ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হলেও শিক্ষকগণ অদ্যাবদি এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। এর পূর্বে দূর্নীতি শুরু হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখা হতে জনৈকা শিক্ষিকাকে (মিসেস শাহীনা সুলতানা) প্রথমে অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং পরে ঐ শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্তির জন্য প্রি-রিজেস্ট্রেশন করেন। অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ বর্তমান শিক্ষা নীতিমালার কোথাও নেই। তার নিয়োগ কিভাবে হয়, কিভাবে তিনি এমপিওভুক্তির আবেদন করেন এসব বিষয় জানতে চাইলে বর্তমান সভাপতি তাকে নিয়োগ দেননি বলে শিক্ষকদের জানান। যদিও রাতারাতি তিনি বিদ্যালয়ে প্রচলিত নিয়মে অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য বেতন পাচ্ছেন। তার স্বাক্ষরে শিক্ষকরা দুইবার এমপিওভুক্তির অনলাইন ফরম পুরণ করে ছাড়লেও অজ্ঞাত কারণে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে তা ফেরত পাঠানো হয়। মিসেস শাহীনা সুলতানা সম্পূর্ণ ভুয়া তথ্য দিয়ে, সভাপতিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করেন যা শিক্ষা অফিস কর্তৃক বাতিল করা হয়। এমন কি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পক্ষে তিনি মেরিট লিস্টে যাদের নাম প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তারাও অত্র বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এবং বিষয়টি তারা জানেন না। এ জেনো রাম রাজত্ব কায়েম করছেন স্বঘোষিত প্রধান শিক্ষক শাহীনা সুলতানা ।

এমনকি শাহীনা সুলতানার স্বামী বিভিন্ন সময়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হুমকী দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সভাপতি বরাবরে অভিযোগ করা হলেও এর কোনো প্রতিকার হয়নি। এছাড়াও আরো একজন ভুয়া শিক্ষক (মো. শামসুজ্জামান) ও একজন নিরাপত্তা কর্মীকে (ফরহাদ হোসেন) পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় হতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করানো হয়, যাদের মধ্যে ঐ শিক্ষক স্থানীয় পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত। এর পূর্বেও বিদ্যালয়টিতে সভাপতিদের আত্মীয় স্বজনদের বিধি বহির্ভূতভাবে একাধিক নিয়োগের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষকরা এসব বিষয় জানতে চাইলে সভাপতি বারবার একই কথা বলেন যে তিনি কোনো নিয়োগ দেননি। এসব অশুভ কর্মকান্ড, দুর্নীতি ও অনিয়মের ফলে বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।একটি সুপ্রতিষ্ঠিত স্কুলকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সভাপতি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেবেন না আবার প্রধান শিক্ষকও নিয়োগ দেবেন না। একথা ফোনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান
শিক্ষককে গত দুইদিন পূর্বে জানিয়েছেন। সিলেটে ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হলেও শিক্ষকগণ এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। কারণ শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির পথে কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন শাহীনা সুলতানা। তার একাধিকবার স্বাক্ষর জালিয়াতি ঘটনায় এমপিওভুক্ত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পদে নিয়োগে আছেন শিক্ষক শাহীনা সুলতানা। বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখার শিক্ষিকা শাহীনা সুলতানা প্রথমে অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক ও পরে প্রধান শিক্ষকের জন্য এমপিওভুক্তির জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন করেন। কিন্তু অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ বর্তমান শিক্ষা নীতিমালায় কোথাও নেই। তাহলে তিনি কিভাবে নিয়োগ ও বেতন পান? এসব বিষয় যখন চারিদেক ছড়িয়ে পড়ছিলো তখন শাহীনা সুলতানা ও কিছু ব্যক্তির মদদে-সাহায্যে ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জালিয়াতি করেন। এ ব্যপারে জানতে শাহীনা সুলতানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি তার স্বামী রিসিভ করে বলেন শাহীনা সুলতানা বর্তমানে ব্যস্থ আছেন । তিনি অনলাইনে একটি পরীক্ষা দিচ্ছেন,তাই এখন কথা বলতে পারবেন না ।

এসব বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের সভাপতি ডা: মইনুল ইসলামের মুঠোফনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি । শিক্ষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে যানাজায় শাহীনা সুলতানাকে এসব জাল-জালিয়াতির বিষয়ে মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে সহযোগিতা করছেন সিলেট জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত ( গবেষনা কর্মকর্তা ) মোঃ গিয়াস । মাস খানেক পূর্বে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির আবেদনের ফাইলে ডিডি কতৃক শাহীনা সুলতানার আবেদনটিতে অসঙ্গতি প্রকাশ পায়। আর এরই জেরধরে আরো চারজন শিক্ষকের আবেদনের ফাইলে ডিডি পর্যন্ত পৌছাতে দেননি মোঃ গিয়াস ।

এবিষয়ে জানতে সিলেট জেলা শিক্ষা অফিসের ( গবেষনা কর্মকর্তা ) মোঃ গিয়াসের মুঠোফনে গতকাল সন্ধ্যার পর ফোন দিলে তিনি এ প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে বলেন, এখন আমার ফ্যামেলি টাইম এখন আমি এ বিষয়ে কথা বলতে পারবোনা, আমি সকাল ৯টা থকে-৫টা অফিস করি আপনি অফিস টাইমে ফোন দিয়েন।

পরবর্তীতে আজ বিকেল ৪ টায় মোঃ গিয়াসের মুঠোফনে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি ফোনে কোন কথা বলতে পারবো না, আপনি প্রয়োজনে আমার অফিসে চলে আসুন। আসলে কথা হবে।

সুরমা টাইমসের অনুসন্ধানে বের হওয়া ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শাহীনা সুলতানার অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো::

১। সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে (নিয়োগের সার্কুলার, নিয়োগ পরীক্ষা ইত্যাদি গ্রহণ) না করে মিসেস শাহীনা সুলতানাকে বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখা হতে শিক্ষক নিবন্ধনবিহীন অবস্থায় মাধ্যমিক শাখায় অতিরিক্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। বর্তমানে অতিরিক্ত সহকারি শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে বেতন ভাতাদি উত্তোলন অবৈধ। উল্লেখ্য, এই পদ শিক্ষা নীতিমালার কোথাও বিদ্যমান নেই।


২। মিসেস শাহীনা সুলতানার একাডেমিক ক্যারিয়ারে দুই বা ততোধিক ৩য় শ্রেণি থাকায় বিদ্যমান শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পদে আবেদনের যোগ্য নন।


৩। এমপিও’র জন্য শিক্ষকদের প্যাটার্ণে ২য় শ্রেণি দেখিয়ে সভাপতির স্বাক্ষর নেন, পরে কলম দ্বারা ড়াবৎ ৎিরঃরহম করে ৩য় শ্রেণি দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক পদের জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন করেন এবং পরে সম্পূর্ণ জাল ও ভুয়া তথ্য তৈরি করে বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর নকল করে কারচুপি করেন। তিনি দুইবার আবেদন পত্র সাবমিট করলেও তা বাতিল হয়। তাছাড়া প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য কোনো সার্কুলার বা নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।


৪। সভাপতির কথা বলে মাধ্যমিক শাখার শিক্ষকদের মুল সনদ সংগ্রহ করেন এবং তা ফটোকপি করে তার নিজের কাছে রেখে দেন। সভাপতি স্বয়ং সনদ সংগ্রহের বিষয়টি জানেন না বলেন এবং তার লিখিত নির্দেশ ছাড়া কোনো কাগজপত্র জমা না দিতে নির্দেশনা দেন। এটি একটি অসৎ কারচুপি।


৫। মেরিট লিস্টে মিসেস শাহীনা সুলতানার নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে ২য় ও ৩য় স্থান দেখিয়ে যাদের নাম উল্লেখ করে মেরিট লিস্ট (নম্বর পত্র) বা ঈঝ শিট তৈরি করেছেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা বিষয়টি জানেন না। যেহেতু কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।


৬। শিক্ষকদের সমন্বয় সভা চলাকালে হঠাৎ করে তার স্বামী সংশ্লিষ্ট কক্ষে প্রবেশ করে অন্যান্য শিক্ষকদের এমপিও সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান। শিক্ষকরা না দেখালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উপস্থিত শিক্ষকদের উপর অশালীন ভাষা প্রয়োগ করে গালিগালাজ করে দেখে নেবেন বলে হুমকী দেন। এই ঘটনা ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ফোনেও শিক্ষকদের হুমকী প্রদর্শন করে বলেন যে তার স্ত্রীর এমপিও না হলে বিদ্যালয়ের কারো এমপিও হবে না। এক পর্যায়ে শিক্ষিকাদের গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হলে উপস্থিত ব্যক্তিগণ তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেন।


৭। বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকগণ যারা এমপিও প্রাপ্তির উপযুক্ত তারা প্রথম ২ দফায় আবেদন করতে পারেননি। কারণ মিসেস শাহীনা সুলতানা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে গোপন করে রেখেছিলেন এবং কাউকে আবেদন করতে দেননি। পরে শিক্ষকরা ২ বার তাদের কাগজপত্র সাবমিট করলে অজ্ঞাত কারণে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফেরত পাঠানো হয়। সর্বোপরি মিসেস শাহীনা সুলতানার স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনায় সম্পূর্ণ বৈধ কয়েকজন শিক্ষকের আবেদন ফেরত পাঠানো হয়। কেননা প্রধান শিক্ষক হিসেবে তার আবেদনের সাথে দাখিলকৃত সকল ডকুমেন্টসে জাল স্বাক্ষর প্রদান করেন।


৮। মিসেস শাহীনা সুলতানার অবৈধভাবে অতিরিক্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করার জন্য ২৯-৩০ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করে সভাপতি বরাবর আবেদন করলে তিনি প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা না করে বলেন যে তিনি দলীয় চাপে রয়েছেন।


৯। বিদ্যাল্যে কর্মরত না থাকলেও আরো দুইজনকে শিক্ষকদের প্যাটার্ণভুক্ত করে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। তাদেরকে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিয়োগপত্র দেয়া হয়।


১০। বর্তমানে কর্মরত সহকারী প্রধান শিক্ষক মিসেস আফিয়া খাতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে মৌখিক নির্দেশনায় দায়িত্ব পালন করছেন যা শিক্ষা নীতিমালার পরিপন্থী। সহকারী প্রধান শিক্ষক এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করেননি বা তাকে আবেদন করতে দেয়া হয়নি।


১১। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে না থাকলে মিসেস শাহীনা সুলতানা প্রধান শিক্ষক পদবী ব্যবহার করেন।


উলেক্ষ্য সমগ্র জালিয়াতির বিষয়টি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জানলেও তিনি অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এমনকি তার নিজের এবং ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যের স্বাক্ষর জালিয়াতিরও কোনো ব্যবস্থা নেননি।

যেখানে শিক্ষক কর্মচারী আচরণ বিধিমালায় বর্ণিত আছে যে, কোন শিক্ষক অন্য কোন শিক্ষকের বা এর সাথে জড়িত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সাক্ষর জাল করলে তাকে চাকুরিচ্যুত করতে হবে ।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শাহীনা সুলতানার এ সকল স্বেচ্ছাচারিতা, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের জন্য একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় আজ ধবংসের দ্বারপ্রান্তে। তাই সংশ্লিষ্ট সকল মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close