অনলাইন পরীক্ষায় নকল সরবরাহ করছে গুগল

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন কর্তৃক অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক একটি রিপোর্ট সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়

গত ১৭ মার্চ থেকে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে কিন্তু এ শিক্ষা কার্যক্রম কেমন চলছে তা নিয়ে গত দুই মাস যাবত আমাদের একটি স্বেচ্ছাসেবক টিম মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে এই পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক দিক আজ আমরা তুলে ধরছি এখানে লক্ষণীয় বিষয় ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে বস্তিতে বসবাসকারী পরিবারের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত তুলে ধরা হচ্ছে তাদের মধ্যে ১০০ মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারের পাঁচটি পরিবারে ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই সংযোগ পাওয়া যায় বাকি ৯৫ টি পরিবারের পুষ্পান্ন পরিবারের কাছে ত্রিশটি থ্রিজি ওবিসি ৪ম ইন্টার্নেট ব্যবহার করছে এমন তথ্য পাওয়া যায় ৪০ টি পরিবারের ১৫ টি তে অ্যান্ড্রয়েড হ্যান্ডসেট ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে ব্যবহার করছে না বলে তারা মন্তব্য করেন ২৫ টি পরিবারের কাছে টুজি ব্যবহার করার হ্যান্ডসেট রয়েছে উচ্চ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সকলের কাছে স্মার্টফোন রয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ওয়াইফাই ব্যবহার করছে ৬৫ টি পরিবার এ সকল পরিবারের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদন খেলা নিয়ে বেশি সময় পার করছে স্মার্টফোন ল্যাপটপ ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষার সময় গুগোল সহজেই শিক্ষার্থীদের চাহিদা মাফিক নকল সরবরাহ করেছে এটি এই পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে তাই আমরা পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক পর্যায়ে আজ তুলে ধরছি এ নিয়ে অভিভাবকরা সচেতন নন কারণ তাদের বক্তব্য আমরা ছেলেমেয়েদের বই দেখে যাতে না লেখতে পারে তার ব্যবস্থা নিয়ে থাকি এবং শিক্ষকদের চাও এটি কিন্তু ছেলেমেয়েরা দীর্ঘদিন যাবৎ ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে তারা জানে কোন প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া গেলে গুগলের কাছে চাইলেই তা পাওয়া যাবে তাই সহসায় প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গুগলের সহায়তা নিছি শিক্ষার্থীরা যার ফলে আগের মত এখন আর ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ায় মনোযোগী হচ্ছে না অথচ অনলাইন পরীক্ষা প্রত্যেকেই ফলাফল ভালো করছে শিক্ষকদের মন্তব্য ঘরে বসে থেকে বেশি বেশি পড়ালেখা করার কারণে হয়তো তারা ফলাফল ভালো করছে কিন্তু গুগোল শিক্ষার্থীদের অনৈতিক সহায়তা করতে পারে এ সম্পর্কে শিক্ষকরাও সচেতন নন আরে পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক পর্যায়ে আর একটি বৈষম্য বিশেষভাবে লক্ষণীয় তা হচ্ছে ৪০% দরিদ্র পরিবারের উচ্চমূল্যের ডাটা ও ডিভাইস চিনতে না পারার কারণে তার সন্তানকে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্র মে অংশগ্রহণ করাতে পারছে না ফোনে শিক্ষা কার্যক্রমে একটি ব্যাপক বৈষম্য লক্ষ করা গেছে এতে করে শিক্ষা চলে যাচ্ছে উচ্চবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের হাতে আগামী দিনে এই পরিস্থিতি বিরাজ করলে দেশের ৮০% শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে তাছাড়া শিক্ষক ও অভিভাবকরা যদি প্রযুক্তি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও সচেতন না হয় তাহলে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা কোন কাজে আসবে না বরঞ্চ আগামী দিনে আরো একটি মেধাহীন অলস একটি জাতি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি তাই সামগ্রিক দিক বিবেচনায় নিয়ে সরকার শিক্ষক অভিভাবক সকলেই একটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন

— বিজ্ঞপ্তি ।।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close