মাধবপুরে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ::

মাধবপুরে ৩ মাস পর আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। বাদী পক্ষের নারাজী আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে একটি হত্যা মামলার পুনঃ ময়না তদন্ত করতে ৩ মাস পর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২১শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পথিক মন্ডলের উপস্থিতিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নোয়াপাড়া কবর স্থান থেকে ভিকটিম সাইফুর রহমান মুর্শেদের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। মৃত মুর্শেদ উপজেলার নোয়াপাড়া ইটাখোলা গ্রামের মৃত হেফজু রহমানের ছেলে। মামলার বাদী শফিকুর রহমান শামীম জানান, গত ৮ জুন রাতে তার ভাই সাইফুর রহমান মুর্শেদকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে আবদ্ধ ঘরে আটকে রেখে তালাবদ্ধ করে রাখে।

এ ঘটনায় সাইফুর রহমান মুর্শেদ এর স্ত্রী হাসি বেগমকে আসামী করে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় হাসি বেগমকে ঘটনার দিন দুপুরে গ্রেপ্তার দেখিতে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। হাসি বেগম এখনো ওই মামলায় কারাগারে আছে। বাদীর অভিযোগ মাধবপুর থানার এসআই ওয়াহিদ গাজী সুরত হাল প্রতিবেদনে ভিকটিমের গলায়, হাতে, পায়ে, অন্ডকোষে, পায়ুপথ সহ ৭/৮টি জখমের চিহ্ন উল্লেখ ছিল।

কিন্তু হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ডাক্তাররা উল্লেখ করেন সাইফুর রহমান মুর্শেদ গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছে। এ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদী হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নারাজীর আবেদন দাখিল করেন। আদালত বাদীর নারাজীর আবেদন মঞ্জুর করে পুনরায় ভিকটিমের কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে পুন ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পথিক মন্ডলের উপস্থিতিতে লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পুন ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করেছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close