ওজোন স্তর সুরক্ষার মন্ট্রিয়াল চুক্তি মানছে না প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবসে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো ওজোন স্তর সুরক্ষার মন্ট্রিয়াল চুক্তি মানছে না বলে দাবি করেছেন পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। ওজোন স্তর প্রধানত স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে থাকে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কিমি: উপরে অবস্থিত। বায়ুম-লে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওজোন কেন্দ্রীকরণ প্রায় ২০ এবং ৪০ কিলোমিটার (৬৬,০০০ এবং ১৩১,০০০ ফুট), তারা যেখানে মিলিয়ন প্রতি প্রায় ২ থেকে ৮ অংশ থেকে পরিসীমার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়।”

সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান বলেন, “ওজোন স্তর জীবনের জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি এটি শোষণ করে নেয়। সূর্যের এই অতিবেগুণী রশ্মি মানব দেহের ত্বক এমনকি হাড়ের ক্যান্সার, উদ্ভিদজগতের ক্ষতি, প্ল্যাঙ্কটন হ্রাস, সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসসহ অন্যান্য মারাত্মক ব্যাধি সৃষ্টির কারণ। এই ক্ষতিকর রশ্মি পৃথিবীর জীবজগতের সকল প্রাণের প্রতি হুমকি স্বরূপ। ওজোন স্তরের ক্ষয় ও তার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্ব ওজোন দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘প্রাণ বাঁচাতে ওজোন : ওজোনস্তর সুরক্ষার ৩৫ বছর’। বর্তমান সময়ের গবেষণা অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ যতটা না দায়ী মিথেন গ্যাসের ব্যবহার প্রায় ১০ গুণ ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী। আন্তর্জাতিক মন্ট্রিয়াল চুক্তি অনুযায়ী ক্লোরোফ্লোরো কার্বনস, হ্যালোজেন ও অন্যান্য ওজোন স্তর ক্ষয়কারী রাসায়নিক উৎপাদন নিষিদ্ধ হলেও প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো এ চুক্তির তোয়াক্কা করছে না। আমরা আজকের এই দিবসে পৃথিবীর সকল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার নিশ্চিত করে ওজোন স্তর রক্ষা করার জোর দাবি করছি। ”

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close