বাপ্পি বাহিনীর হামলায় আহত বৃদ্ধ আমির উদ্দিন লাইফ সার্পোটে, জড়িতরা অধরা

সিলেট ব্যুারোঃ

সন্ত্রাসী হামলায় দুই হাত দুই পা ভাঙ্গা জিহ্বা কাঠা, দুই কানে ছিদ্র করে, ঘাড়ে বাম ও ডান পায়ে পাতার ঘিরার উপরে হাটুর নিচে ও বাম হাতের কবজিতে অস্ত্রের আঘাত করে মৃত ভেবে ফেলে রাখা আমির উদ্দিন (৬৬) সিলেট ওসমানী মেডিকেলের আইসিউতে ভর্তি থাকলে অবস্থার অবনতি হওয়া তাকে লাইফসর্পোটে নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ওসমানী মেডিকেল কৃতপক্ষ। মৃত্যুরর সাথে পাাঞ্জা লড়ছে এখন আহত আমির উদ্দিন। কিন্তু এ ঘটনার মূল হোতা ও থানায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী এবাদ আহমদ বাপ্পি ঘুরছে প্রকাশ্যে। ইতিপূর্বে সে ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকে কে নিয়ে কট্টুক্তি করেছে সে ঘটনায় মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সদস্য ছালেহ আহমদ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৫৭ ধারায় বড়লেখা থানায় ১৮/৮/২০১৮ সালে মামলা রুজু করেন যার নং-১৭। এর পর কিছুদিন পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে ব্যাঙ্গ করে ফেইসবুকে পোষ্ট দেয় রুমেল নামের এক ব্যাক্তি বাপ্পি ভিডিও শেয়ার করে এ ঘটনায় নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম উজ্জ্বল রুমেল ও বাপ্পিকে অভিযুক্ত বড়লেখা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন মামলা কোন অভিযোগেই আইনের আওতায় আসছে না যুবদল ক্যডার বাপ্পি । অদৃশ্য শেল্টার এর কারণে একাধিক মামলার আসামী হয়েও ঘুরছে সে প্রকাশ্যে। তাকে গ্রেফতারে করতে থানা পুলিশের যেন রয়েছে অনীহাভাব। এখন প্রশ্ন হলো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে কট্টুক্তির ঘটনায় নিয়মিত মামলার আসামী হয়ে সরকার দলের কার শেল্টারে বাপ্পি এখনও ঘুরছে প্রকাশ্যে।
জানা যায়, পূর্ব শত্রুার জের ধরে বড়লেখার উপজেলার নিজ বাহাদুর ইউ/পির বাউরিল খাল এলাকায়
ঘটনাটি ৯সেপ্টেম্বর বাপ্পি বাহিনীর হাতে হামলার স্বীকার হোন একই এলাকার নিরীহ দিনমজুর আমির উদ্দিন। তিনি ওসমানী মেডিকেলে আইসিইতে চিকিৎসাধীন থাকলেও ১ সেপ্টেম্বর তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সার্পোটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহাদুর পুর গ্রামে ঘটলেও আজবদী আসামী গ্রেফতারে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ করেছেন আহত আমির উদ্দিনের মেয়ে মামলার বাদী জেনেফা বেগম জেবা। তিনি অভিযোগ করে বলেন আমার বাবা গরিব ও অসহায় লোক আর আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে প্রথমে থানায় মামলা করতে গেলে ওসি অভিযোগ রাখেন নি। পরবর্তীতে থানায় গেলে আমাকে পাগল বলে আখ্যায়িত করেন এবং নানা রকম কথা বার্তা বলেন যদিও ঘটনার দুদিন পড় আমাকে ডেকে নিয়ে একটি মামলা রুজু করেছেন, যার নং-৭, ১১/০৯/২০২০ইং । ঘটনার প্রধান হোতা ও মামলার প্রধান আসামী নিজ বাহাদুর পুর গ্রামের আব্দুল নূরের পুত্র এবাদ আহমদ বাপ্পি একজন পেশাদার সন্ত্রসী ও তালিকাভূক্ত অপরাধী হওয়ার পরও পুলিশ তাকে আটক করছেনা। আমি সরকারের উর্ধ্বতন কৃতপক্ষের কাছে আমার বাবার হত্যার করা চেষ্টা কারীদের বিচার চাই। রাত ও টায় নিজ বাহাদুরপুর গ্রামের এবাদ আহমদ বাপ্পি (২৬), আছার উদ্দিন (৪৫), রাজু আহমদ (২২): হোসেন (৩৫), শুকুর (৩০), দুদু (৪০), আব্দুল্লাহ (২৬) গংরা আমার পিতার উপর হামলা করেছে।
জানা যায়, বাপ্পির নেতৃতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে স্বজ্জিত হয়ে সবজি খেত ও মাছ পাহাড়া দেওয়া ওরা ঘুমিয়ে থাকায় আমির উদ্দিন ও বিলকিস বেগমের উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে। সন্ত্রসীদের হাতে চুল কাটা অবস্থায় স্ত্রী বিলকিস েিবগম চিকিৎসা শেষে বাড়ি থাকলে ও স্বামী আমীর মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল এ । গতকাল মিডিয়া কর্মীদের কাছে ওসমানী মেডিকেলের জরুরী বিভাগের সামনে ভয়ংকর এ ঘটনার বণর্ণা দিতে গিয়ে আমির উদ্দিনের মেয়ে জেনেফা বেগম জেবা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন আমার বাবা মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন কিন্তু আসামী ধরতে একবার থানায় থেকে বের হয় নি। আমার বাবাকে মৃত ভেবে স্থানীয় কালি বাড়ি টিলার সামনে কাচাঁ রাস্তায় ফেলে যায়।
কালীবাড়ী টিলায়নিয়ে আঘাত করে দুই হাত, কোমর ভেঙ্গে যায় এবং মাথার এক পাশ দিয়ে শিকল ঢুকিয়ে আরেক পাশ দিয়ে বের করে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা , জিহ্বার এক ইঞ্চি পরিমাণ কেটে ফেলে । দুই কানের ভিতরে ছিদ্ব করে, ঘাড় ভেঙ্গে দেয়।
বড়লেখা থানা পুলিশের ওসি জাহাঙ্গীর আলম সরর্দার আমির উদ্দিন এর উপর হামলাকারী এবাদ ্রাহমদ বাপ্পির বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে নিয়মিত মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তবে সেটি তিনিি যোগদানের পরেও বলে জানান এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলতে।
এব্যপারে কুলাউড়া সার্কেল এর এ্যাডিশনাল এসপি সাদেক কাওসার দস্তগীর জানান, আমির উদ্দিন এর উপর হামলার ঘটনায় বড়লেখা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close