শ্রদ্ধাঞ্জলি: যদ্যপি আমার কাকা আজিজুর রহমান

রজত গোস্বামী::

আমি মহাত্মা গান্ধীকে দেখিনি, ন্যালসন মেন্ডেলাকে দেখিনি, ফিদেল ক্যাস্ট্রোকে দেখিনি, মাওলানা ভাসানীকে দেখিনি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে দেখিনি। কিন্তু বাড়ির পাশের মহানায়ক আজিজুর রহমানকে দেখেছি। যাদের নাম উল্লেখ করলাম, তারা কেউ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের, কেউ বা জাতীয় পর্যায়ের। কিন্তু,আমার কাছে আমার কাকা আজিজুর রহমানই সিলেট বিভাগের মহাত্মা গান্ধী, ন্যালসন মেন্ডেলা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, মাওলানা ভাসানী, কিংবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
আজিজ কাকার মৃত্যুতে মৌলভীবাজারে আরেক নক্ষত্রের অর্ন্তধান হলো। জনগণের কল্যানে নিবেদিত প্রাণ, ত্যাগী রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাংসদ, চিরকুমার, আমার কাকা মো. আজিজুর রহমান। ১৭ই আগষ্ট, সোমবার দিবাগত রাতে মহাপ্রস্থানের পথে পাড়ি জমান। পেছনে রেখে যান কর্মময় বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, আর শোকস্তব্ধ অসংখ্য অনুরাগী- শুভানুধ্যায়ী । মো. আজিজুর রহমান কাকার মহাপ্রস্থানের সাথে সাথে সাঙ্গ হলো মৌলভীবাজারের রাজনৈতিক-সামাজিক অঙ্গনের এক অসামান্য অধ্যায়।
মঙ্গলবার ভোরে আমার কাছে এই দুঃসংবাদ ব’য়ে আনলো দুইজন সাংবাদিকের পরপর দুইটি ফোন। সংবাদ শুনে আমার বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হবার উপক্রম। বেশ কয়েকমিনিট লাগলো স্বাভাবিকতা ফিরে পেতে। আমি আমার ছাত্রজীবনের পরে রাজনীতি থেকে সযতেœ দুরে সরে যাই। আবার, আমি ছাত্রজীবনে যে রাজনীতি করতাম, সেই রাজনীতির ধারায় তিনি ছিলেন না। অর্থাৎ, আমি তাঁর রাজনৈতিক অনুসারী ছিলাম না। আমার প্রয়াত পিতা সাংবাদিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত রাধিকা মোহন গোস্বামী ছিলেন বামপন্থী ন্যাপ (মোজাফফর) এর নেতা। অন্যদিকে আজিজুর রহমান কাকা আওয়ামী লীগের নেতা। কিন্তু তাঁরা দুইজন এতো ঘনিষ্ঠ ছিলেন, যা ভিন্ন ভিন্ন দুই দলের দুই নেতার মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না। এই কারনে, জনাব আজিজুর রহমানকে শিশু বয়স থেকে অত্যন্ত কাছে থেকে দেখার বিরল সুযোগ হয়েছে। শিশু বয়সে তাঁর কোলে উঠারও সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তিনি, আমি ও আমার ভাইবোনদের পুত্র-কন্যার মত ¯েœহ করতেন। জনাব আজিজুর রহমানকে ঘনিষ্টভাবে দেখেছি, তাঁর রাজনীতির প্রথম পাঠের গল্প শুনেছি আমার বাবার কাছ থেকে । ফলে, আমার ধারনা (সত্য নাও হতে পারে) , আমি তাঁর সম্পর্কে যতটুকু জানি, তাঁর অনেক রাজনৈতিক অনুসারীও ততটুকু জানেন না।
জনগণের কল্যানে নিবেদিত প্রাণ, ত্যাগী রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান মৌলভীবাজারের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনন্য ভূমিকা স্থাপন করে গেছেন। নিজের জীবন-যৌবন শুধু রাজনীতির জন্য উৎসর্গ করে গেছেন। কঠোরভাবে সৎ ও সাধারণ জীবন যাপন করেও যে রাজনীতির শিখরে পৌছা সম্ভব, তিনি নিজে সেই দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন।
রাজনীতির জন্য তিনি জীবনের সমস্ত সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করেছেন। এমনকি বিয়ে পর্যন্ত করেন নি, সংসার জীবনে বন্দী হয়ে যাবার ভয়ে। সারাটা জীবন অতি সাধারণভাবে কাটিয়ে গেলেন। কিন্তু এদেশের বস্তাপঁচা রাজনীতির অঙ্গনে নিজেকে সকল কলুষ থেকে মুক্ত রাখতে পেরেছেন।
জনাব আজিজুর রহমান মৌলভীবাজার থেকে ম্যাট্রিক পাশ করে, মৌলভীবাজারে কলেজ না থাকায় পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজে ভর্তি হন। বৃন্দাবন কলেজ থেকে আই,কম ও বি,কম পাশ করেন। হবিগঞ্জে ছাত্র থাকাকালে তিনি পূর্বপাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৬৯ খৃষ্টাব্দের ঐতিহাসিক গণঅভ্যূথানের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে অব্যহতি পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারী পূর্বপাকিস্তানের ছাত্রসমাজ শেখ মুজিবকে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বিশাল সংবর্ধনা প্রদান করে এবং সেই সংবর্ধনা সভায় ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমদ শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন। সেই থেকে শেখ মুজিব হয়ে গেলেন বঙ্গবন্ধু।
এর আগে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আওয়ামী লীগের ভিত্তি ততটা মজবুত ছিলো না। কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু সারাদেশে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। ১৯৬৯ খৃষ্টাব্দেই বঙ্গবন্ধু মৌলভীবাজার সফরে আসেন। তখন একদিকে গণঅভ্যূথানের মাধ্যমে জেল থেকে মুক্ত বঙ্গবন্ধুর সারাদেশে আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা, অন্যদিকে মৌলভীবাজার তথা সমগ্র সিলেটে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বল অবস্থান। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছিলেন মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ, মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী, মরহুম ডা. চঞ্চল চৌধুরী প্রমুখ। মৌলভীবাজারে প্রয়াত ব্যোমকেশ ঘোষ (টেমা বাবু) ও মরহুম সৈয়দ আমজদ আলী প্রমূখ হাতে গোনা কয়েকজন নেতা। কিন্ত, কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ছিলো না। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সক্ষম ছিলেন না। এর একমাত্র কারন ছিলো তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিমলীগ নেতা মুক্তিযুদ্ধ কালে রাজাকার শিরোমনি মরহুম ইনাম উল্ল্যাহর দুর্দন্ড প্রতাপ, সন্ত্রাস আর পেটুয়া বাহিনীর কারনে। সেই মুসলিমলীগ নেতা ইনাম উল্ল্যাহর মতের বিরুদ্ধে মাঠে রাজনীতি করার সাহস ও শক্তি কারো ছিলো না। এই বিরূপ পরিস্থিতিতে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু মৌলভীবাজার সফরে আসেন। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ, মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী, মরহুম ডা. চঞ্চল চৌধুরী এবং স্থানীয় নেতা প্রয়াত ব্যোমকেশ ঘোষ (টেমা বাবু) ও মরহুম সৈয়দ আমজদ আলী প্রমূখ সীমিত পরিসরে একটি কর্মীসভা করেন। কর্মীসভায়, মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে কি করনীয় জানতে চান বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু মৌলভীবাজারে রাত্রি যাপন করেন ওয়াপদা রেস্ট হাউসে (বর্তমানে শাহ্ মোস্তফা সড়কে আবহাওয়া অফিসের পশ্চিম পাশে)। সভায় স্থানীয় একজন নেতা জানান, মো. আজিজুর রহমানকে আওয়ামী লীগে যোগদান করাতে পারলে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করা সহজ হবে। উপস্থিত অন্য স্থানীয় নেতারা একমত হলেও তারা সংশয় প্রকাশ করেন যে তারুন্যের টগবগে ভরপুর আজিজুর রহমান ছাত্র ইউনিয়ন করেন, তিনি আওয়ামী লীগে আসবেন কি না। সব শুনে বঙ্গবন্ধু নির্দেশ দিলেন আজিজুর রহমানকে খবর দিতে, আজই দেখা করার জন্য, তিনি নিজে ”আজিজের” সাথে কথা বলবেন। বঙ্গবন্ধুর ডাক পেয়ে ওয়াপদা রেস্ট হাউসে এসে আজিজুর রহমান দেখা করলেন। বঙ্গবন্ধু আজিজুর রহমানকে দেখে বুঝে গেলেন, একে দিয়েই মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগ হবে। বঙ্গবন্ধুর সাথে অনেকক্ষণ আলাপ করে, বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিত্বের কাছে হার মানলেন আজিজুর রহমান, যোগ দিলেন আওয়ামী লীগে। মাত্র একবছরেরও কম সময়ে দক্ষ সংগঠক আজিজুর রহমান, মৌলভীবাজার আওয়ামী লীগে জোয়ার তুললেন। আর পিছনে তাকানো নয়, শুধুই এগিয়ে যাওয়া। ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে বঙ্গবন্ধু, আজিজুর রহমানকে মনোনয়ন দিলেন। নির্বাচনের ফলাফলে আজিজুর রহমানের জোয়ারে দুর্দন্ড প্রতাপশালী ইনাম উল্ল্যাহ ভেসে গেলেন।
আজিজুর রহমানের জীবনের পরবর্তী ইতিহাস সবারই জানা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ২৬ শে মার্চ পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হন, একসপ্তাহ পর ’মুক্তিফৌজ’ (তখনো মুক্তি বাহিনী গঠিত হয়নি) মৌলভীবাজার জেলের তালা ভেঙ্গে আজিজুর রহমান সহ বন্দী আওয়ামী লীগ নেতাদেরে মুক্ত করে। জেল থেকে বেড়িয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন, তার নেতৃত্বে ৮ই ডিসেম্বর মৌলভীবাজার হানাদার মুক্ত হয়। তিনি তৎকালনি মৌলভীবাজার মহকুমা প্রশাসকের অফিস ভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করেন।
তিনি জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন সাধারন সম্পাদক ছিলেন। তখন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন আরেকজন কিংবদন্তীতূল্য নেতা মরহুম মো. ইলিয়াস। তাঁর মৃত্যুর পরে আজিজুর রহমান সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ ও ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (১৯৯১ সাল) হুইপ নিযুক্ত হন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নিযুক্ত হন। মৃত্যুকালে তিনি মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।
১৯৫৮ সালে আমার পিতা সাংবাদিক রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত রাধিকা মোহন গোস্বামী সমমনাদের নিয়ে গড়ে তুলেন ’নবারুন সংঘ’ নামে একটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। আজিজুর রহমান এই সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। তখন, দেশে টেলিভিশন ছিলো না, মৌলভীবাজারে সিনেমা হল ছিলো না। স্থানীয় জনগনের বিনোদনের চরম সংকট। ’নবারুন সংঘ’ প্রতিমাসে একটি করে নাটক মঞ্চায়ন শুরু করে। আজিজুর রহমান সেই নাটক গুলোতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করতেন। তাঁর অভিনয় পারদর্শীতায় তিনি স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নাটক মঞ্চায়নের পাশাপাশি ’নবারুন সংঘ’ যাত্রাপালার মঞ্চায়নও শুরু করে, যদিও নাটক মঞ্চায়নই ছিলো সংগঠনটির প্রধান কার্যক্রম। আজিজ কাকা যাত্রপালায় অভিনয় করেও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ’নবারুন সংঘের’ নাটক ও যাত্রাপালা নিয়ে তিনি মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে দাপটের সাথে মঞ্চে অভিনয় করেন। ১৯৫৮ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৯৭২ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত নবারুন সংঘের আয়ুষ্কালে, তিনি পঞ্চাশেরও অধিক নাটক বা যাত্রাপালায় অভিনয় করেন। ১৯৭২ সালে আমি ক্লাস থ্রি এর ছাত্র থাকলেও স্থানীয় জনমিলন কেন্দ্রে মঞ্চায়িত আজিজ কাকা অভিনীত একাধিক নাটক আমি দেখেছি, যা আজও স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। ১৯৫৮ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৯৭২ খৃষ্টাব্দ সময়কালে নবারুন সংঘ মৌলভীবাজারে নাটক মঞ্চায়নের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটায়, যা এখন পর্যন্ত আর কোন সংগঠন দেখাতে পারেনি।
একজন ব্যস্ত রাজনীতিবিদ হয়েও তিনি শেষ পর্যন্তই, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধ-শত জন্মবার্ষিকী উদযাপন সহ মৌলভীবাজারের সকল সাংস্কৃতিক উদ্যোগের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তাঁর নির্দেশনা বা উপস্থিতি ছাড়া কোন সাংস্কৃতিক উৎসবই সুসম্পন্ন হতো না।
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আজিজুর রহমানকে দেশের সর্বোচ্চ পদক ’স্বাধীনতা পদক’ এর জন্য মনোনীত করা হয়। কিন্তু দেশে করোনা পরিস্থিতির কারনে ’স্বাধীনতা পদক’ প্রদান অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে গেলে তিনি নিজে তা গ্রহন করে যেতে পারলেন না। তবে সুখের বিষয়, তাঁকে প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় সম্মানের কথা তিনি জেনে গেলেন।
আজিজুর রহমানের মতো ব্যক্তিত্ব একটি সমাজে সবসময় আবির্ভূত হন না। তাই মৌলভীবাজারে তাঁর স্থান পূর্ণ হবে কি না, তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না। যেমন, দেশে রাজনৈতিক নেতার অভাব না থাকলেও আমরা অরো একজন বঙ্গবন্ধুকে আজো পাইনি, কবি-সাহিত্যিকের অভাব না থাকলেও আরো একজন রবীন্দ্রনাথ বা কাজী নজরুলকে আজো পাইনি।

তথ্যসূত্র ঃ আমার সাথে আমার সাথে আমার পিতা সাংবাদিক রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত রাধিকা মোহন গোস্বামী ও সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফকতুল ওয়াহেদের আলাপচারিতা, যা আমার খেরোখাতায় নোট করে রেখেছিলাম।

(লেখক ঃ মৌলভীবাজারের সাংবাদিক ও কলেজ শিক্ষক)

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close