সুশান্তের তদন্তকারী অফিসারকে জোর করে পাঠানো হলো কোয়ারেন্টিইনে

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ন্যায়বিচারের দাবিতে চলছে প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ। মুম্বাই পুলিশ অভিনেতার আত্মহত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত করলে ২৬ জুলাই মোড় ঘুরে যায় মামলার। সুশান্তের বাবা কেকে সিং সুশান্তের বান্ধবী অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে মামলা করেন বিহারে। এর পর থেকেই মাঠে অবতীর্ণ হয় বিহার পুলিশ। চার সদস্যের তদন্তকারী দল মুম্বাই পৌঁছায়।

গত কয়েক দিনে মুম্বাইয়ের রাস্তা চষে বেড়াচ্ছে বিহার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে তারা । মুম্বাই পুলিশও গত দেড় মাসে প্রায় ৪০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তবে বিহার পুলিশের তদন্তকারী দল মুম্বাই পৌঁছার পর থেকেই অভিযোগ উঠছে, তদন্তে তাদের সাহায্য করছে না মুম্বাই পুলিশ।

এবারের অভিযোগ আরো মারাত্মক। বিহার পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে বিহার পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাকে বা পাটনার পুলিশ সুপার বিনয় তিওয়ারি মুম্বাই এলেই তাঁকে জোর করে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিইনে পাঠিয়েছে বৃহন মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি)। এমনকি তাঁর হাতে কোয়ারেন্টিনের স্ট্যাম্প দেওয়ার পর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে।

ডিজিপির আরো অভিযোগ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিনয় তিওয়ারির থাকার ব্যবস্থা করেনি মুম্বাই পুলিশ। আইপিএস মেসের বদলে তাঁকে গোরেগাঁওয়ের একটি গেস্ট হাউসে থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। যদিও তার পরিষ্কার বক্তব্য, সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা মামলায় বিহার পুলিশই যথেষ্ট। সিবিআই তদন্তের এখনই প্রয়োজন নেই। তার দাবি, পুলিশ তদন্তে অসহযোগিতা করলে পাটনার এসপিকে সাহায্য করার জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে।

এদিকে, বিনয় তিওয়ারিকে জোর করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুশান্তের বোন শ্বেতা সিং কীর্তি। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘কী? এটা কি আদৌ সত্যি? কিভাবে একজন পুলিশ অফিসারকে তাঁর কাজের সময় ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা যেতে পারে?

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close