দক্ষিন সুরমায় অসহায় নিরীহ পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

সিলেটের দক্ষিন সুরমায় অসহায় নিরীহ একটি পরিবারকে প্রতিহিংসামূলক ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গনমাধ্যমে প্র্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ করেছেন দক্ষিন সুরমার তেতলী ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আং কাদির।

অভিযোগে তিনি বলেন,তার পাশ্ববরর্তী লন্ডন প্র্রবাসী শামছুল ইসলাম ও আমিরুুল ইসলামের বসত ঘরে গত ১৮ই মার্চ দিবাগত রাত ৩ ঘটিকার দিকে হামলা চালিয়ে ঘরটি ভাংচোর ও লুটপাট করে আলতা মিয়া ও তার ছেলে হেলাল আহমদ গং । এসময় প্র্রবাসী শামছুল ইসলামের চাচী সালেহা বেগমের শোরচিৎকারে স্থানীয় গ্র্রামবাসীসহ আং কাদির ও তার ছেলেরা বেরিয়ে আসেন।

সালেহা বেগম ঐ সময় পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে সরকারী জরুরী সেবা -( ৯৯৯ ) নাম্বারে ফোন দিলে সাথে সাথে দক্ষিন সুরমা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয় গ্রামবাসী ও পুলিশের উপস্থিতে হেলাল আহমদ গং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সালেহা বেগম হেলাল আহমদসহ ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে দক্ষিন সুরমা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগপত্রে সাক্ষী হিসবে সাক্ষর করেন তেতলী ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের লামাপাড়া জামে মসজিদের সাবেক মোত্তয়াল্লী আং কাদির (৭০),তার ছেলে লামাপাড়া জামে মসজিদের মসজিদ কমিটির সদস্য ও মসজিদের উপদেষ্ঠা কমিটির সদস্য শামীম মিয়াসহ আরো কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আর এই অভিযোগের সাক্ষী হওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় আং কাদিরসহ তার পরিবারের জন্য। আং কাদির বলেন এ ঘটনার পর থেকেই লামাপাড়া গ্রামের আলতা মিয়া ও তার ছেলে হেলাল আহমদ গং আং কাদির ও তার পরিবারকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদশর্ন এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা হামলার হুুমকি দিতে থাকেন।যার ফলশ্র্রুতিতে হেলাল আহমদ গং প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গত ২৮/৬/২০ ইং তারিখে আং কাদির ও তার ছেলে শামীম মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্রাইব্যুনাল সিলেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে, যাহার মামলা নং ৭৬/২০ ।

আং কাদির অভিযোগ করেন যে সালেহা বেগমের দায়েরকৃত অভিযোগের সাক্ষী হওয়ায় হেলাল আহমদ গং প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন । আং কাদির তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক উল্লেখ করে বলেন যে মামলার বাদীনি কুলসুমা বেগম (সুইটি) হেলাল আহমদের ঘরে বিগত দুুই বছর যাবৎ গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত । এবং মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে মামলার বাদীনি কুলসুমা বেগম (সুইটি)র বয়স ১৬ বছর,কিন্তু বাদীনি যে স্কুলে অধ্যয়নরত সে স্কুলের তথ্য অনুুযায়ী বাদীনির বয়স ১৩ বছর।

তিনি আরো বলেন যে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় গত ০৩/৬/২০ ইং তারিখে বাদীনি দক্ষিন সুরমা থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি গ্র্রহন না করে বাদীনিকে আদালতে যাবার পরামর্শ দেয়, যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন কারণ উক্ত ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দক্ষিন সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খায়রুল ফজলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে এধরনের কোন অভিযোগ নিয়ে আদৌ কেউ থানায় আসেননি,থানায় যে কারো অভিযোগ গ্রহন করা হয়, পরবর্তীতে তা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

আং কাদির বলেন এতোকিছুর পরও থেমে নেই হেলাল আহমদ গংদের হুমকি ধামকি,নিজেদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য গত ০৭/৭/২০ ইং তারিখে আং কাদিরের ছেলে সাহেদ মিয়া দক্ষিন সুরমা থানায় হেলাল আহমদ গংদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

এব্যপারে লামাপাড়া জামে মসজিদের সাবেক মোত্তয়াল্লী আং কাদির (৭০),প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ।

— প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close