কমতে পারে এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়সংখ্যা

চলতি শিক্ষাবর্ষ ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়তে পারে : শিক্ষামন্ত্রী

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় চলতি শিক্ষাবর্ষ ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এছাড়াও শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। আজ শনিবার সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনাকালে শিক্ষায় চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার এই সময়ে কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। তাই এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই। চলতি শিক্ষাবর্ষে সংক্ষিপ্ততম যতটুকু সিলেবাস হলে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে শিখে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত হতে পারে, তা পড়ানোর ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো যায় কিনা তা আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়লে আগামী শিক্ষাবর্ষ নয়-দশ মাসে শেষ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সব ধরনের ঐচ্ছিক ছুটি কমিয়ে আনা হবে। তবে নানা পরিকল্পনা ও আলোচনা চললেও সিদ্ধান্ত এখনই দেওয়া যাচ্ছে না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। তবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়সংখ্যা কমানো এবং কম সময়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই ১৫ দিন শিক্ষার্থীদের নোটিশ দিতে হবে। তাদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনে প্রচারিত ক্লাস সরাসরি ও তথ্যপ্রযুক্তির নানা মাধ্যমে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে দেখছে। শীঘ্রই টোল ফ্রি লাইন ৩৩৩৬ চালু হচ্ছে। কমমূল্যে বা বিনামূল্যে কীভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট দেওয়া যায় সেজন্য আমরা বিভিন্ন ফোন কম্পানির সঙ্গে কথা বলছি।’

দীপু মনি বলেন, ‘বিরাট সংখ্যক শিক্ষকরা আইসিটি ট্রেনিং পেয়েছেন। আরও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষানির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে কীভাবে বেরোতে পারি সে চেষ্টা চলছে। শিক্ষকদের যেসব সমস্যা রয়েছে তা সমাধানেও আমরা কাজ করছি।’

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close