‘করোনা’: যেভাবে দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাচ্ছে চীন

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

চীন দুই মাস করোনামুক্ত থাকার পর আবারো দ্বিতীয় ধাক্কা শুরু হয়েছে। গেল সপ্তাহে দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭ জন। রাজধানীর বৃহত্তম পাইকারি খাদ্য বাজার থেকে নতুনভাবে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলে নেওয়ার জন্য দেশটি বাতিল করেছে এক হাজারেরও বেশি ফ্লাইট। বন্ধ করা হয়েছে স্কুল-কলেজ। এছাড়াও বাসিন্দাদের বেইজিং ছেড়ে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চীন কর্তৃপক্ষ।

এএফপি-র খবরে জানা যায়, আক্রান্ত প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক বিমানগুলো এখনও অন্য শহরে ডাইভার্ট করা হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অন্যান্য ব্যবস্থা শিথিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশটিতে নতুন করে করোনা শনাক্ত হওয়ায় নগরীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরবর্তী দিনগুলোতে দক্ষিণ-পশ্চিম বেইজিংয়ের সিনফাদির পাইকারি বাজারে কাজ করা বা পরিদর্শনে যাওয়া কয়েক ডজন মানুষের শরীরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। নতুন প্রাদুর্ভাবের উৎস রহস্যই রয়ে গেছে।

এ বিষয়ে চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’র প্রধান মহামারি বিশেষজ্ঞ উ জুনিয়াউ সোমবার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক সিসিটিভিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত গবেষকরা নির্ণয় করতে পারেননি যে ভাইরাসটি আমদানি করা সামুদ্রিক খাবার, নাকি কোনো সংক্রমিত ব্যক্তি থেকে বাজারে এসেছে। আমরা মনে করছি ভাইরাসটি চীনের অন্যান্য অংশ থেকে এসে বাজারে ছড়িয়েছে।’

এদিকে নতুন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চীনের পন্থা সম্পর্কে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দ্বিতীয়বার করোনা ধাক্কায় মোকাবেলা কর্মকর্তারা ১১টি মার্কেট এবং শহরের সব স্কুল কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে। মাঝারি বা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের বেইজিং ছেড়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। বাহির থেকে আসা যাত্রীদের উপর বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গেল ৩০ মে থেকে সিনফাদিই বাজারে দুই লাখের বেশি লোক গিয়েছিল। বাজারটি বেইজিংয়ের ফলমূল ও সবজির ৭০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করে। সেখানে ৮ হাজারের বেশি মানুষকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়াও বাজারের নিকটবর্তী দুই এলাকা সিনফাদি এবং ইউকুয়ানলুর ১৯ হাজার বাসিন্দাকে পরীক্ষা করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close