“ভিডিও ধারণকারীকে আইনের আওতায় আনলে আগুনের রহস্য বের হবে”

জুড়ী (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতাঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে যাওয়া “বন্ধু পোল্ট্রি ফার্মের” মালিক দীনবন্ধু সেন দাবি করেন খামারে আগুনের শেষ পর্যায়ের এক মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল করে মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ওই ভিডিও ধারণকারী ও প্রচারকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আগুনের মূল রহস্য বের হয়ে আসবে। বুধবার (৩/৬) জুড়ীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান, ব্যবসায়ীক অংশীদার শাহাজান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, গত ১ জুন গভীর রাতে উপজেলার আমতৈল গ্রামে আমার বন্ধু পোল্ট্রি ফার্ম প্রায় ২ হাজার লেয়ার মুরগীসহ পুড়িয়ে দেয়া হয়। আগুনের বিষয়ে ফেসবুুকে একটি ভিডিও ভাইরাল করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, ফার্মে সামান্য আগুন জ্বলছে। সেখানে এক পুলিশ সদস্য এই সামান্য আগুন পানি দিয়ে নেভানোর কথা বলছেন। দীনবন্ধু বলেন, ভিডিওটি আগুনের একেবারে শেষ পর্যায়ে ধারণ করা, যাতে সামান্য আগুন দৃশ্যমান। অথচ ভাল করে দেখলে বা কোন এক্সপার্ট দিয়ে ভিডিওটি পরীক্ষা করালে দেখা যাবে যে, ভিডিওটি এডিট করা এবং পুরো খামারের ভিতর, ঘরের চাল সবকিছু পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। একটি কুচক্রীমহল পূর্বপরিকল্পিতভাবে আগুনের শেষ সময়ের এই ভিডিওটি ধারণ করে ও এডিট করে ছড়িয়ে দিয়ে আগুন লাগানোর মূল হোতাদের আড়াল করার অপচেষ্টা করছে। সেই সাথে সমাজে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে তৃতীয় কোন পক্ষ আগুন দেয়ার যে কথা ছড়ানো হচ্ছে সেটা গুজব। খামারের প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা গত ১ মে রাতে খামারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করলেও পুলিশ আসামী না ধরায় আসামীরা খামারে আগুন দেয় বলে আমার সন্দেহ হচ্ছে। ওরাই গত ২৪ মে খামারে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছিল। সংবাদ সম্মেলনে খামার ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি হারিস মোহাম্মদ, বাহার উদ্দিন, দীনবন্ধুর পুত্র সুইট সেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রয়োজনে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করে হলেও মূল বিষয় উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে এবং অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close