চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ।।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম গত ২ মাস বন্ধ ছিল। টানা দুই মাস ২ দিন পর চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা ও আসামের একাংশের সাথে আমদানি রপ্তানি আবার শুরু হয়েছে।
গত ২৩ মে প্রথম দফায় বাংলাদেশ থেকে ৪ ট্রাক সিমেন্ট রপ্তানি করা হলেও বুধবার (২৭ মে) ত্রিপুরার কৈলাশহর থেকে ৪ ট্রাক আঙ্গুর ও আপেল আমদানি করেন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দর ও স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে সীমিত আকারে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর ফলে ভারতের ত্রিপুরার উনকোটি জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীরা ভারতের মনু ও বাংলাদেশের চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরুর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে ত্রিপুরার কৈলাশহরের মনু শুল্ক স্টেশন এলাকায় ভারতীয় নাগরিকরা টানা ৩দিন অবস্থান নিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু না করার বিরুদ্ধে আন্দোলন করলে ঊনকোটি জেলা প্রশাসন এ শুল্ক স্টেশন দিয়ে কোন প্রকার আমদানি রপ্তানি শুরু হবে না মর্মে নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
এ নিয়ে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরের আমদানি-রপ্তানিকারকরা দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলন করে ঊনকোটি জেলা প্রশাসনের কাছে এ পথে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর অনুমতি প্রার্থনা করেন। অবশেষে ঊনকোটি জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের চাতলাপুর ও ভারতের মনু স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেন। ফলে ২ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ থেকে ৪ ট্রাক সিমেন্ট রপ্তানির মাধ্যমে চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে রপ্তানি শুরু করা হয়েছিল। ২৭ শে মে বুধবার ভারত থেকে ৪ ট্রাক ফল আমদানির মাধ্যমে এ পথে পুরোদমে আমদানি রপ্তানি শুরু হয়েছে।
চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনের আমদানি-রপ্তানিকারক সাইফুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, টানা দুই মাসের ব্যবসা বন্ধে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা নিজ দেশের প্রশাসন পর্যায়ে আলোচনা করলে গত ২৩ মে থেকে এ পথে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। তবে ঈদের ছুটি হিসেবে ২ দিন বন্ধ রেখে ২৭ মে থেকে পুরোদমে এ পথে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close