নগদ অর্থ ও ত্রাণ আত্মসাতে ফাঁসলেন ৫ জনপ্রতিনিধি

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

করোনাকালে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমে অনিয়ম ও ত্রাণের চাল আত্মসাতের অভিযোগে আরও পাঁচজন জনপ্রতিনিধিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নতুন বরখাস্ত করা হয়েছে দুইজন চেয়ারম্যান ও তিনজন ইউপি সদস্যকে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপনে একথা জানানো হয়।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এ নিয়ে মোট ৭১ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এদের মধ্যে ২৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, একজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং দুইজন পৌর কাউন্সিলর।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি নিয়ম-নীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাতের অভিযোগে এই পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের কবির আহমেদ ও বিজয়নগরে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।

আর সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তাহের মিয়া, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মো. বোরহান উদ্দিন। একই উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য বিলকিস বেগম।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন। তাদের এই অপরাধমূলক কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে তাদের দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় বলে সরকার মনে করে। তাই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাদের পদ হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

একইসঙ্গে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পৃথক পৃথক কারণ দর্শানো নোটিশে তাদের কেন চূড়ান্তভাবে পদ থেকে অপসারণ করা হবে না তার জবাব দশ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close