র‌্যাবের হানা, রেস্তোরাঁর ভেতর সার্জিক্যাল স্টোর!

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

রাজধানীর পল্টনের বিএমএ ভাবনের পাশে বৈশাখী রেস্তোরাঁর ভেতর হঠাৎ গজিয়ে ওঠা এক ‘সার্জিক্যাল স্টোরে’ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ৩। এ সময় বিপুলপরিমাণ অবৈধ এন-৯৫ মাস্ক, অনুমোদনহীন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও অননুমোদিত এবং ভুয়া ডেঙ্গু টেস্ট কিট, সেই সঙ্গে আরো নানাধরনের সার্জিক্যাল জিনিস জব্দ করা হয়। নির্বাহী হাকিম পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে এবং র‌্যাব ৩ এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ওষুধ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক হারুন উর রশিদ।

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু করে আড়াইটা পর্যন্ত পরিচালিত এই আদালতে বৈশাখী রেস্তোরাঁ কাম সার্জিক্যাল স্টোর এর মালিক সাইফুল ইসলামকে ১৫ লাখ টাকা ও দালাল আমির হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী হাকিম পলাশ কুমার বসু বলেন, অভিযানের প্রথমেই বৈশাখী রেস্তোরাঁর মালিক সাইফুল ইসলাম স্বীকার করেন, তাঁর কোনোরকম ওষুধ বিক্রির অনুমতিপত্র বা ড্রাগ লাইসেন্স নেই। কেননা তিনি রেস্তোরাঁ ব্যবসা করেন। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি এই সার্জিক্যাল স্টোর খুলে বসেছেন। মালিক সা্‌ইফুল ইসলাম একটি কাগজও দেখাতে পারেননি অথচ তিনি ‘ডেঙ্গু টেস্টিং কিট’ এর মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর সার্জিক্যাল ইক্যুইপমেন্ট রেখেছেন তাঁর দোকানে। এই কিটটি শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ও লাইসেন্সধারী সার্জিক্যাল গুডস এর আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরাই বিক্রি বা সরবরাহ করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, এ ছাড়াও তার দোকান থেকে লেবেলবিহীন ও অনুমোদনহীন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও বিপুলপরিমাণ অবৈধ এন-৯৫ মাস্ক জব্দ করা হয়। তবে অনেক অবৈধ জিনিসের আড়ালে তার দোকানে কিছু বৈধ জিনিস ছিল তাই দোকানটি সিলগালা করা হয়নি। ধার্যকৃত জরিমানার টাকা তারা পরিশোধ করলে আদালতের সমাপ্তি টানা হয়। এ রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close