বাউল রণেশ ঠাকুরের পাশে উপজেলা প্রশাসন

দিরাই প্রতিনিধি::

দিরাই উপজেলায় বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতি বিজড়িত উজান ধল গ্রামের বাউল রনেশ ঠাকুরের সঙ্গীতচর্চার ঘরটি পুড়ে যাওয়ায় বাউলের পাশে দাঁড়িয়েছেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফি উল্লাহ। এছাড়া ঘটনার রহস্য উদ্ধারে মাঠে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় রণেশ ঠাকুরের ভষ্ম হয়ে যাওয়া সঙ্গীত চর্চার একমাত্র ঘরটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফি উল্লাহ। এসময় তিনি নগদ আর্থিক সহায়তা তোলে দেন বাউল রণেশ ঠাকুরের হাতে।

এ ব্যাপারে ইউএনও মো. সফি উল্লাহ বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ঘরে থাকা বাদ্যযন্ত্র পুড়ে যাওয়ায় বাদ্যযন্ত্রের জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

বাউল রণেশ ঠাকুর জানান- দীর্ঘদিন যাবত এই ঘরটিতে বাউল ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে শিষ্যদের নিয়ে সঙ্গীতচর্চা করে আসছি। ভাবতেই পারিনি এমন একটা ঘটনা ঘটবে। এই ঘরটিতে আমার এক শিষ্য থাকত। ঘটনার দুইদিন আগে সে তার বাড়িতে চলে যায়। তাই ঘরে কোন মানুষ ছিল না, দুর্বৃত্তদের আগুনে ঘরে থাকা সংগৃহীত কয়েকটি গানের বই, বাদ্যযন্ত্র, আসবাবপত্র তৈরির কাঠসহ সব পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন- ‘আমার কারো সাথে শত্রুতা নেই, তাই কাউকে জড়িত বলতে পারছি না।’

ওসি কেএম নজরুল জানান- ‘বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সময়ে দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হব।’

উল্লেখ্য, গত রোববার (১৭ই মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের উজানধল গ্রামে বাউল রণেশ ঠাকুরের গানের ঘর আগুনে ভষ্মিভূত হয়ে যায়।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close