‘ওয়াইফ আর ওয়াই-ফাইয়ের মধ্যে আটকে আছি’

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

স্টুডিওর চার দেওয়ালে একটানা ত্রিশ বছর কাজ করে হাঁফিয়ে উঠেছেন এই অভিনেতা তথা সঞ্চালক, তাই গত বছরই স্টুডিও থেকে ব্রেক নিয়েছেন তারকা,কিন্তু মঞ্চে অভিনয় জারি রয়েছে।

করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্বব্যাপী লকডাউন চলছে। এ কারণে জীবন এখন ধীরগতিতে চলছে।যদিও জীবনের ইঁদুর দৌড়ে দৌড়াতে দৌড়াতে অনেক মানুষই হাঁফিয়ে উঠেছে।তাঁদের জন্য এক আত্মবিশ্লেষণের সময়। হাত এবং আশপাশের জিনিসপত্র স্যানিটাইজ করবার পাশাপাশি অন্তর আত্মার স্যানিটাইজেশন জরুরি। এমনটাই মনে করছেন অভিনেতা শেখর সুমন।

ফিভার নেটওয়ার্ক ও হিন্দুস্তান টাইমসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হান্ড্রেট আ্ওয়রিস  হান্ড্রেট স্টারস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই জানালেন তিনি। 

৩০ বছরের অভিনয় জীবন শেষে অনেকটাই ক্লান্ত শেখর সুমন। 

তিনি জানালেন, এটা আমার জীবনের একটা বিশ্রাম পর্ব চলছে। স্টুডিও থেকে আমি অনেকদিন থেকেই বিরাম চাইছিলাম। তাই গত বছর আমি স্টুডিও থেকে ব্রেক নিয়ে নিয়েছি।

জীবনের ছোট ছোট খুশির মধ্যেই এখন আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন মুভার্স অ্যান্ড শেখরস খ্যাত এই তারকা। 

লকডাউনে ঠিক কী কী করছেন? এর উত্তরে শেখর সুমন জানালেন, মায়ের জন্য রান্না করছি, মেয়ের সঙ্গে টিকটক বানাচ্ছি,ছেলের (অধ্যায়ান) সঙ্গে খুনসুটি চলছে,একসঙ্গে জিম করছি, বউয়ের কাছে বকা খাচ্ছি। এক কথায় ওয়াইফ আর ওয়াই-ফাইয়ের মধ্যে আটকে আছি। জীবনের সম্পর্কের মধ্যেই থেকেই খুশি আছি। বাড়ির নীচে গিয়ে গাড়িতে বসে ওখানেই গোলগোল চক্কর খাচ্ছি-এইভাবেই দিন কাটছে।

দিলীপ কুমার, দেব আনন্দের মতো তারকাদের নিয়ে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন শেখর কুমার। কথা বললেন তাঁদের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত আলাপচারিতা নিয়ে। 

লকডাউনে সবচেয়ে জরুরি কোন জিনিসটা তিনি শিখলেন? 

শেখর সুমন জানান, ‘জান হ্যায় তো জাহান হ্যায়, করোনা আমাদের সব চাওয়া-পাওয়া ভুলিয়ে জীবনের মূল্য শিখিয়ে দিচ্ছে। অন্যের থেকে নিজেকে সেরা ভাবাটা কতটা ভ্রান্ত তা বুঝিয়ে দিচ্ছে’।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত জনপ্রিয় টক শো মুভার্স অ্যান্ড শেখারস হোস্ট করেছেন শেখর সুমন। একাধিক কমেডি শোয়ের বিচারকের আসনেও দেখা মিলেছে তাঁর। রূপালি পর্দায় তাঁকে শেষ দেখা গেছে ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সঞ্জয় দত্তের ভূমি ছবিতে। 

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close