ধাপে ধাপে লকডাউন তুলতে হবে, সংকট কাটানোর জন্য জরুরি অভিনব পদক্ষেপ: দেবী শেট্টি

  • করোনার প্রকোপ কমাতে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেশে লকডাউন জরুরি ছিল। এমন অবস্থায় দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে।
  • মূলত সেই দিকটাকেই লক্ষ্য করে এবার লকডাউন তুলে নিতে হবে বলে দাবি করলেন নারায়না হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার দেবী শেট্টি।
  • পাশাপাশিই তাঁর আরও বক্তব্য, লকডাউনের কারণে দেশে যেসব সীমাবদ্ধতাও তৈরি হয়েছে, সেগুলিও শিথিল করতে হবে ধীরে ধীরে।

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

লকডাউন তুলে নিতে হবে। ধীরে ধীরে লকডাউনের কারণে তৈরি হওয়া সীমাবদ্ধতাও শিথিল করতে হবে। বৃহস্পতিবার বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়/টাইমস স্কুল অফ মিডিয়া আয়োজিত ‘গ্লোবাল অনলাইন কনফারেন্স অন কোভিড-১৯: ফলআউট অ্যান্ড ফিউচার’ শীর্ষক আলোচনা চক্রে এমন মন্তব্যই করলেন স্বনামধন্য চিকিৎসক দেবী শেট্টি।

করোনার প্রকোপ কমাতে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেশে লকডাউন জরুরি ছিল। এমন অবস্থায় দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে। মূলত সেই দিকটাকেই লক্ষ্য করে এবার লকডাউন তুলে নিতে হবে বলে দাবি করলেন নারায়না হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার দেবী শেট্টি। পাশাপাশিই তাঁর আরও বক্তব্য, লকডাউনের কারণে দেশে যেসব সীমাবদ্ধতাও তৈরি হয়েছে, সেগুলিও শিথিল করতে হবে ধীরে ধীরে।

“আমরা বলতেই পারি যে মৃত্যুর হার অন্ততপক্ষে ৫০ শতাংশ কমিয়ে ফেলেছি কেবল এই লকডাউনের কারণেই। কারণ অনেক তাড়াতাড়িই ভারত লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুনিয়ার অনেক দেশ এরকম প্রাথমিক পর্যায়েই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। আমাদের উচিত ধারাবাহিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লকডাউন প্রত্যাহার করা। এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে সুরাহা পেতে তথাকথিত নীতি প্রণয়নের রাস্তায় না হাঁটা। হটস্পট ব্যতিরেকে কোনও স্বাস্থ্যভিত্তিক কারণে লকডাউন জারি রাখার আর কোনও মানে হয় না। কর্নাটকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম যাতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট শুরু করা হয় কিন্তু তা ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ যাতে হয় সেটাও নিশ্চিত করা। পাশাপাশিই দোকানগুলিও যাতে সকাল থেকেই আরও বেশ কিছুক্ষণ খোলা থাকে, যাতে বেশি মানুষ সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভিড় না করেন”, বক্তব্য ডাক্তার ডেবী শেট্টির।

নয়াদিল্লির All India Institute of Medical Sciences (AIIMS)-এর ডিরেক্টর ডাক্তার রণদীপ গুলেরিয়ার কথায়, “পরবর্তী কয়েকটা সপ্তাহ খুবই চ্যালেঞ্জের। সময়মাফিক লকডাউনের কারণে যদিও দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা খুব একটা বাড়বে না। তবে অনকে তথ্যই প্রয়োজন এটা পরিষ্কার করতে যে, লকডাউন এখনও চালানো উচিত কি না!”

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close