‘করোনা’ ঝুঁকিতে গোলাপগঞ্জের মানুষ

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি::

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী লকডাউন চলছে। বাংলাদেশও করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা জন্য চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে বাড়ির বাইরে বের হতে না পেরে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ। এসব খেটে খাওয়া মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার সারাদেশজুড়ে জনপ্রতি ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু করেছে।

সপ্তাহে প্রতি রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার জনপ্রতি ৫কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। গোলাপগঞ্জে প্রতি সপ্তাহের ৩দিন দুইটি পয়েন্টে ৪০০ জন মানুষের মধ্যে ২টন চাল বিক্রি করা হবে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয় চাল বিক্রি।

উপজেলার কদমতলী ও উপজেলা প্রাঙ্গণে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ২টি পয়েন্টে ২০০ জন করে ৪০০ জন মানুষকে চাল দেওয়ার কথা থাকলে সেখানে গিয়ে দেখা যায় হাজারও মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। চাল নিতে এসে তাড়া নিয়ে যাচ্ছেন করোনা ঝুঁকি। কোনভাবেই মানুষকে বুঝানো যাচ্ছে না। এতে করোনা ভাইরাস হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

ফুলবাড়ী ইউনিয়ন থেকে চাল নিতে আসা রেহেনা বিবি বলেন, ‘আমরা চাল নিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।’ গাদাগাদিতে তো করোনা আসবে বললে তিনি বলেন, ‘আমরা কী করব। রোগ হলে এমনিতেই হবে।’

ডিলার মাহমুদ হোসেন বলেন, আমরা প্রতিদিন ২০০ মানুষের কাছে চাল বিক্রি করব। আজকে সবাইকে আমরা জানিয়ে দিব। মানুষের দূরত্ব বজায় রাখার জন্য লোক রাখার কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের যে টাকা আয় হয় সেগুলো দিয়ে কোনভাবে লোক রাখা সম্ভব নয়।

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক রাফিয়া খাতুন বলেন, সরকার থেকে আসা উপজেলায় ২টন চাল ৪০০ জন মানুষের কাছে বিক্রি করা হবে। কিন্তু সেখানে অনেক মানুষ এসেছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্ত মানুষ সেটা কোন ভাবেই মানতে রাজি হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের থানায় যত পুলিশ আছে সবাইকে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের উচিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য তাদের পক্ষ থেকে ২/৩ জন গ্রাম পুলিশ রাখার।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close