সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক উন্নয়নে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

সিলেট-তামাবিল সড়ক উন্নয়নে বড় অংকের ঋণ অনুমোদন দিয়েছে এশিয়ান ইনফ্রাসট্রাকচার ইনভেসমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)। যার পরিমাণ ৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা) প্রায় তিন হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। ব্যাংকটির বোর্ড এ অনুমোদন দেয়। এআইআইবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এআইআইবি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রথম পরিবহন প্রকল্প হিসেবে এ প্রকল্পটি এআইআইবিকে দক্ষিণ এশিয়ার আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেবে।

এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (বিনিয়োগ, অপারেশনস) ডিজে প্যানডিয়ান বলেন, ‘প্রকল্পটি দেশকে টেকসইকরণের উন্নতিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ এবং রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণে এই খাতের অংশগ্রহণকে আকৃষ্ট করবে।’

তিনি জানান, ২০১৮ সালে প্রকল্পটির প্রস্তুতিতে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ এআইআইবি’র বিশেষ তহবিল থেকে সহায়তা পেয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে এআইআইবি’র সর্বশেষ বিনিয়োগ হচ্ছে- ৮৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

সূত্র জানায়, সিলেট ও তামাবিল বর্ডার ক্রসিংয়ের মধ্যে দেশের জাতীয় মহাসড়ক এন-২ এর উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সামগ্রিক যাত্রী নিরাপত্তা উন্নত হবে এবং মালবাহী যানবাহন ও বাসসহ রাস্তা ব্যবহারকারীদের ভ্রমণের সময় ও ব্যয় কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র আরও জানায়, সিলেট-তামাবিল সড়টি প্রায় ৫৬ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। এটি ঢাকা- নরসিংদী-সিলেট-তামাবিল জাতীয় মহাসড়কের অংশ। এই মহাসড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ২৮৬ কিলোমিটার। এ করিডোরটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের পাশাপাশি ভুটান, মিয়ানমার ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কৌশলগতভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ঋণের এ অর্থ প্রকল্পের প্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রকল্প পরিচালনার সহায়তার পাশাপাশি সড়কের নির্মাণ, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যয় করা হবে।

এআইআইবি একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক, যা এশিয়ার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে। চীনের বৈইজিং-এ ব্যাংকটির সদর দফতর। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে কার্যক্রম শুরু করে এআইআইবি। বর্তমানে এর অনুমোদিত সদস্য সংখ্যা ১০২টি দেশ

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close