কোম্পানীগঞ্জে পাথর উত্তোলনে বাধার জেরে হামলা,নৈশপ্রহরী আহত

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর (গুচ্ছগ্রাম) এলাকায় পাথর উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় চাঁদাবাজদের হামলায় ক্রাশার মিলের নৈশপ্রহরী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত নৈশপ্রহরীর নাম মো. ধারা মিয়া (৩৮)। তিনি উপজেলার বর্ণি গ্রামের ছোয়াব আলীর ছেলে।

হামলার শিকার ধারা মিয়া ও ওয়েটিং ওয়াশিং প্লান্টের সত্বাধিকারী এরশাদ মিয়াসহ স্থানীয়রা জানান, ভোলাগঞ্জ গ্রামের আতাবুরের নির্দেশে তার লোকজন দীর্ঘদিন থেকে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর এলাকায় দিনে ও রাতের বেলা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। দেশব্যাপী করোনার ঝুঁকির মধ্যেও তারা তাদের এসব অপকর্ম অব্যাহত রেখেছে। অবৈধ পাথর উত্তোলনের ফলে ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।

আতাবুর বাহিনীর লোকজন গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে ওয়েটিং ওয়াশিং প্লান্ট সংলগ্ন ধলাই নদীর তীরে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করতে গেলে বাধা দেন প্লান্টের নৈশপ্রহরী ধারা মিয়া। এর প্রেক্ষিতে আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আতাবুরের নির্দেশে শরিফ উদ্দিন, জামিল, সালমানসহ ১০-১২ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ধারা মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন ধারা মিয়া।এ সময় তার সঙ্গে থাকা পাথর বিক্রির ১ লাখ ৮১ হাজার ৭শ টাকা, মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ধারা মিয়া। রক্তাক্ত ধারা মিয়াকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অন্যদিকে জাতীয় একটি দৈনিক ও ইউটিউব চ্যানেলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজল কুমার কানুর সঙ্গে এক গরু চোরাকারবারির কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ফাঁস হলে পুলিশ বিভাগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।এ ব্যাপারে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) লুৎফুর রহমান ও সিলেট উত্তর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, ঘটনাটি আমরা জানি না, তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close