সিঙ্গাপুরে আরও ৩ বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

সিঙ্গাপুরে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৩ বাংলাদেশি করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানিয়েছেন, শুক্রবার ২ জন এবং বৃহস্পতিবার ১ জন বাংলাদেশির করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট ৮ বাংলাদেশি আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ এ। এর মধ্যে আগে আক্রান্ত হওয়া ৫ জনের চারজনই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। প্রথম আক্রান্ত বাংলাদেশি আইসিইউতে আছেন এখনও। তার শারীরিক অবস্থা অস্থিতিশীল, অর্থাৎ খানিক উন্নতি হলে পরে অবার অবনতি ঘটে!

এদিকে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সাংবাদিক (প্রবাস কথা) আবদুর রহিম অল্প আগে জানিয়েছেন- শুক্রবার সিঙ্গাপুরে নতুন করে দুই বাংলাদেশিসহ মোটা ৪৯ জন করোনা ভাইরাসে অক্রান্ত হয়েছেন মর্মে নিশ্চিত হয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ। ২৭ মার্চ শনাক্ত হওয়া দুই বাংলাদেশির একজনের বয়স ২৮, অন্যজনেন ৩৩ বছর।

দুজনই সিঙ্গাপুরে লংটার্ম পাস হোল্ডার। তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে অরেঞ্জ এলার্ট জারি রয়েছে। যার অর্থ হচ্ছে সব কিছু স্বাভাবিক কিন্তু চূড়ান্ত মাত্রায় (এক্সট্রিম) সতর্কতা! সিঙ্গাপুর সরকার শুরু থেকে সতর্ক থাকায় কমিউনিটিতে করোনার ট্রান্সমিশন হয়েছে সামান্যই। তিনি এ-ও জানান, সিঙ্গাপুরে যে ৮ জন বাংলাদেশী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তার মধ্যে চারজন চিকিৎসা নিয়ে কেবল সুস্থই নন, তারা এরইমধ্যে কাজেও যোগদান করেছেন। সিঙ্গাপুরে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও কাজকর্ম মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও বিদেশি বা প্রবাসীদের প্রবেশে বিধি নিষেধ বহাল রয়েছে। তিনি জানান, নতুন করে করোনা আক্রান্তদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যাই সদ্য বিদেশ ফেরত।

শুক্রবার শনাক্ত হওয়া ৪৯ জনের মধ্যে ২২ জনেরই বাইরের সঙ্গে লিংক। তারা সদ্য ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো ভ্রমণ করে ফিরেছেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩২ ছাড়ালেও আনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে মাত্র দুটি। উন্নত চিকিতসা আর কঠোর আইনের প্রয়োগে বিশ্বাসী সিঙ্গাপুরে একটি মৃত্যুও অনেক মন্তব্য করে তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত ১৮৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

শুক্রবারও ১১ জন হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। এটা সিঙ্গাপুরবাসীকে আশা জাগাচ্ছে। তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে, হাসপাতালে চিকিতসাধীন ৪৩২ জনের মধ্যে এক বাংলাদেশিসহ ১৭ জনের অবস্থা ক্রিটিকাল। ১১৫ জন সুস্থ তবে, করোনা ভাইরাস পজিটিভ হওয়ায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাদের পর্যবেক্ষণে রাখতে হচ্ছে, অন্য রোগী থেকে আলাদা করে তাদের হাসপাতালেই রাখা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close