‘করোনা’ সুনামিতে হিমশিম খাচ্ছে লন্ডনের হাসপাতাল গুলো

সুরমা টাইমস ডেস্ক::

ব্রিটেনে জরুরী অবস্থা জারির পর বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউন চলাকালিন পুলিশ রাস্তায় চেকপোস্ট শুরু করেছে । পুলিশ যানবাহন থামিয়ে এবং ড্রাইভারদের জিজ্ঞাসা করছে লকডাউন চলাকালীন তাদের যাত্রা অপরিহার্য কিনা তা । পুলিশ চালকদের করোনাভাইরাস সংকটে বাড়ীতে থাকার বার্তাটি মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ব্রিটিশরা করোনাভাইরাস লকডাউন নিয়মকানুন না মানলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার বা ৬০ পাউন্ড জরিমানা করতে পারে। বৃহস্পতিবার পুলিশকে নতুন করে ক্ষমতা প্রদান করা হয় । নতুন নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ লোকজনকে ঘরে বসে থাকার এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে নিশ্চিত করার উপায় হিসেবে কাজ করবে ।

এদিকে করোনাভাইরাস সুনামিতে লন্ডনের হাসপাতালগুলি হিমশিম খাচ্ছে এবং হাসপাতাল বেড শেষ হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন নতুন বিছানাগুলি দ্রুত তৈরী হচ্ছে।
এনএইচ কর্মকর্তা ক্রিস হুপসন বিবিসিকে বলেছেন, উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক স্বাস্থ কর্মীদের অনুপস্থিতিতে সমন্নয়হীনতার সৃস্টি হয়েছে। তারা দুইটি জিনিস নিয়ে লড়ছেন। প্রথমটি হল গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে তাদের ।

তিনি এই রোগকে সুনামীর সাথে তুলনা দিয়ে বলেন, এই রোগ প্রতিদিন ৩০, ৪০ এমনকি কোথাও ৫০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, এক্সএল সেন্টারের ৪০০০ শয্যা হাসপাতাল করায় কিছুটা হলেও কাজে আসবে। তবে প্রকৃত অবস্থা বুঝা যাবে আগামী দুই থেকে তিন সাপ্তাহ পরে।


তবে বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে লন্ডনবাসীরা যদি লকডাউন মানেন এবং ঘরে বসে থাকেন তবে শহরটি পরবর্তী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি “অত্যন্ত কঠিন সময়” পার করবে।
গত রাতের মধ্যে লন্ডনে মোট ৩,২৪৭ টি কোভিড -১৯ টি কেস ঘোষণা করা হয়ে ছিল – ইংল্যান্ডের ৯,৫২৯ এর এক তৃতীয়াংশেরও বেশি এবং কমপক্ষে ১৬৮ জন মারা গেছে।
তবে এনএইচএস ইংল্যান্ডের মৃত্যুর ডেটাতে চার দিন অবধি পিছিয়ে রয়েছে, যার অর্থ লন্ডনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা বেশি হতে পারে।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close