বালি দিয়ে সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ!

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনাসগঞ্জের সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের কাংলার হাওরের ফসলের সুরক্ষার জন্যে কাবিটা নীতিমালা ২০১৭ এর অনুযায়ী তিনটি পিআইসির মাধ্যমে বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। বাঁধ নির্মাণে নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ইউনিয়নের ৯(ক) নং পিআইসিতে বালি দিয়ে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্মিত বালির বাঁধ সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

জানা যায়, কাংলার হাওরে তিনটি পিআইসির মধ্যে ৯(ক)নং এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা। ১ কিলোমিটার ৫১০ মিটার দৈর্ঘ্যের বাঁধটি সম্পূর্ণ বালি মাটি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। চলমান এই পিআইসিতে সমপরিমাণ টাকায় গত বছরও বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। যা এ বছর অক্ষত রয়েছে। গত বছরে অক্ষত বাঁধে বালি মাটির প্রলেপ দিয়ে বরাদ্দের টাকা হজম করার অভিযোগ উঠেছে পিআইসির সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য সুরুজ আলীর বিরুদ্ধে। বাঁধে বালি মাটির পরিমাণ বেশি থাকায় বৃষ্টিপাতে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পানি ডুকে হাওর তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

\”\”
জাকির হোসেন নামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জানান, গত বছরের বাঁধ অক্ষত ছিল। বাঁধের নিকট থেকে বালি মাটি এনে প্রলেপ দেয়া হয়েছে।এই বাঁধ একটু বৃষ্টি হলে ঠিকবে না বলে জানান তিনি।

সরেজমিন পরিদর্শন করে হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার রায় বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে বাঁধ পরিদর্শন করে যা দেখলাম তা হতাশাব্যাঞ্জক। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বালি দিয়ে সম্পূর্ণ বাঁধ তৈরী করা হয়েছে। ফলে বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে। বাঁধ নির্মাণ কাজ সরেজমিন দেখে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি তাগাদা জানিয়েছেন তিনি।

বালি দিয়ে বালি নির্মাণের বিষয়ি জানতে অভিযুক্ত পিআইসির সভাপতি সুরুজ মিয়ার মোবাইল ফোনে যেগাযোগ করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close