সম্রাটের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি

সুরমা টাইমস ডেস্ক ::

ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তার পরিবার।

গত রবিবার (২৩শে ফেব্রুয়ারি) সম্রাটের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই মো. রাসেল চৌধুরী সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে এ চিঠি পাঠান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট (সাবেক সভাপতি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ) গত দুই মাস যাবৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
গত ২৩.০২.২০ তারিখে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সহযোগী মাজহারুল ইসলাম শাকিল র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয় এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় যে, সে দীর্ঘ দিন যাবৎ আমার বড় ভাই যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে প্রাণনাশের চেষ্টা করে যাচ্ছিল।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, র‌্যাবের তৎপরতায়  সম্রাটকে প্রাণনাশের চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হয়। প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে আমার বড় ভাইয়ের জীবনের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের জীবনের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য আপনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করছি।

এর আগে গত শনিবার ভোর ৫টার দিকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়। টানা ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে রাজধানী ঢাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডে যখন স্থবিরতা শুরু হয়েছে ঠিক তখনই ঢাকার বুকে রাজত্ব করতে সুদূর দুবাই থেকে উড়ে এসেছিল আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সহযোগী মাজহারুল ইসলাম ওরফে শাকিল ওরফে শাকিল মাজহার (৩৫)। গ্রেফতার পরবর্তী ওইদিন বিকেলেই সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানান  র‍্যাবের গোয়েন্দা, আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম। 

তিনি বলেন, ‘গ্রেফতার শাকিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুবাই থেকে দেশে আসে। মূলত তার দেশে আসার উদ্দেশ্য হলো শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের নির্দেশ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশে তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম নতুন করে প্রতিষ্ঠা করা। রাজধানী ঢাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দেয়া।’ 

ওই র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথমে এই উদ্দেশ্যে তিনি রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। উদ্দেশ্য ছিল হাসপাতালে কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া।’ 

এর একদিন পরই সম্রাটের নিরাপত্তার আবেদন জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠানো হলো।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close