যৌতুকের দায়ে আরো কতো বোন কে লাশ হতে হবে

বিগত ২০০৯ খ্রিঃ আমার বোন রুনা বেগম( 30)এর সাথে মোঃ রাজু মিয়া (৩৫)পিতা – মোঃ আব্দুল খালেক সাং উজান ইয়ারাবাদ( ১ নং আটগাও ইউ/পি) থানা শাল্লা জেলা সুনামগঞ্জ সামাজিক ভাবে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর রুনা বেগম এর গর্ভে এবং রাজু মিয়ার ঔরষে দুইটি সন্তান ১রিচি ২ রাহুল মিয়া জন্ম গ্রহণ করে।

বিবাহের পর হইতে তাদের সংসার সুন্দর মতো চলছিল। কিন্তু সন্তান দুইটি জন্মের পর হইতেই সমুহ রাজু মিয়া যৌতুকের দাবি করে। যৌতুকের দায়ে আমার বোন রুনা বেগম কে প্রায় সময় ই জ্বালা যন্ত্রণা সহ মারপিট করিত। আমার বোন দুটি সন্তানের ভবিষ্যত বিবেচনায় মুখ বুঝে সব যন্ত্রণা সহ্য করিয়া সুন্দর ভাবে সংসার করিয়া আসিতেছিল।

যৌতুকের টাকার জন্যে আমাকে হুমকি প্রদান টাকা না দিলে আমার বোন কে দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করে দিবে কে যানতো যে সত্যিই আমার বোন কে চিরতরে বিদায় করে দিবে তার পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবার। অমানুষিক ভাবে শরীরের বিভিন্ন স্হানে আঘাত করিয়া হত্যা করিয়া লাশ গুম করার চেষ্টা করে পড়ে আমি পরস্পরের অন্য লোকের মাধ্যমে আমার বোনের মৃত্যুর সংবাদ যানিতে পাইয়া ঘটনা স্তলে গিয়া আমি স্বাক্ষীগন আমার বোনের শরীরে বিভিন্ন স্নানে আঘাতের চিহ্ন দেখিতে পাই। আঘাতের চিহ্ন দেখে আমার সন্দেহ হলে আমি কোন কোন স্বাক্ষী গন নিয়ে শাল্লা থানায় যাই। শাল্লা থানায় গিয়া ঘটনার বর্ননা করিলে থানা কর্তপক্ক ঘটনাস্থলে গিয়া বিগত ১৫/০১/২০২০ ইং রাত ১০.০৫ ঘটিকার সময় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

বাম হাতের কবজিতে কালো দাগ ও কনুইয়ে ফুসকাসহ কালো দাগ বামস্তনে কালো দাগ দুই হাটুতে কালো দাগ পরিলক্ষিত হয়। আমাদের মৃতুর সংবাদ যথা সময়ে না যানানোর কারনে আমার বোন কে সমুহ পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করিয়াছে আমি আমার বোনের হত্যার বিচার প্রাথী । হত্যা কারিদের আইনের আওতায় আনিয়া ন্যায় বিচার প্রার্থনা করিতেছি…..

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close