২ বছরেই কোটিপতি সিলেট বিআরটিয়ের অফিস সহায়ক

সিলেট বি আর টি এ এর আলোচিত টি বয় ইমন

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনঃ সিলেট বিআরটি’র অফিস সহায়ক মোজাম্মিল হুসেন ইমনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চাকুরির ২ বছরের মাথায় নগরীর টুলটিকর এলাকায় গড়ে তুলেছেন আলিশান অভিজাত বাড়ি।

অফিসে আসেন শোরুম থেকে ক্রয়কৃত ত্রিপল-১১১ কারে চেপে।গুনধর এ অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এক সময় মোজাম্মিল হুসেন ইমন সিলেট বিআরটি এর অফিসের টি বয় ছিলেন। বিগত ২বছর থেকে ইমন অবৈধভাবে অফিসিয়াল বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগে ঘুষ-দুর্নীতির আশ্রয় নেন। এতেই রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান তিনি।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থার কাছে অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সিলেট বিআরটি এ গ্রাহক সেবা তো দূরে থাক প্রতিটি শাখায় সিন্ডিকেট করে হয়রানি করা হচ্ছে । মালিক ছাড়া লার্নারের ফাইল নেন না কিন্তু ইমন ও তার সহযোগী দালাল মাহদীর মাধ্যমে লার্নার প্রতি ৪০০টাকা করে দিলে সহজেই লার্নার পাওয়া যায়।

এমন হাজারো অভিযোগ বিআরটি এর গুনধর অফিস সহায়ক ইমনের বিরুদ্ধে। তার সীমাহীন দূর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, ঘুষ বানিজ্যের কারনে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন গ্রাহকরা। তিনি নানা অজুহাতে গ্রাহকদের হয়রানি করে উৎকোচ আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে নীতিমালা লঙ্ঘন করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে আর্জেন্ট লার্নার সাপ্লাই বাণিজ্য তার আয়ের অন্যতম উৎস। হঠাৎ করে তার এতো সহায় সম্পদ দেখে ঘনিষ্ঠজনরা রিতিমতো অবাক। তার এমন পরিবর্তন নিয়ে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন।

এ ব্যাপারে সিলেট বিআরটি অফিস সহায়ক মোজাম্মিল হুসেন ইমনের সাথে আলাপ কালে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। সিলেট বিআরটিএর সহকারী পরিচালক সানাউল হক বলেন, ইমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।চলবে , , ,

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close