আওয়ামী লীগে ত্যাগীরা সব সময় মূল্যায়িত হন- সিলেটে শফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক বলেছেন, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন। যুবদের প্রাধান্য দিচ্ছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রবীণ, যুব ও মেধাবীদের সমন্বয়ে নেতৃত্ব বাছাই করছেন। যারা পদ পদবী পাননি তাদের উদ্দেশ্যে শফিক বলেন, আপনারা অধৈয্য হবেন না। ধৈর্য্য ধরে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করুন। শেখ হাসিনা কখনো ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করেন না। আওয়ামী লীগে ত্যাগীরা সব সময় মূল্যায়িত হন।

তিনি সোমবার (১০ই ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যদানকালে এ কথা বলেন।

জামায়াত-বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এখনো অপশক্তি উঁকি মারছে। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে নানা ধরণের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তা কখনো সম্ভব হবে না। যতদিন শেখ হাসিনার হাতে নেতৃত্ব থাকবে ততোদিন কোন অপশক্তিই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে এ নেতা বলেন, দলের কারনে আমি বারবার সিলেট আসবো। সংগঠনের প্রয়োজনে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে আপনারা আমার সাথে থাকতে হবে। সকল অপশক্তির মোকাবেলা করতে হবে। আমার সফলতা হলো তখনি, যখন আপনাদের সাথে নিয়ে আমি সিলেট অঞ্চলে একটি সুসংগঠিত দল গঠন করতে পারবো।

অনুপ্রবেশকারীরা দলে নিজের স্বার্থের জন্য ঢুকে। তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। সকলের সমন্বয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে হবে।

সিলেট বিভাগে সঠিকভাবে দায়িত্বপালনে সিলেটে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের আয়না। পত্রিকা পাতায় সমাজের চিত্র ফুটে উঠে। সমাজের মানুষের কোথায় কোন অসঙ্গতি আছে, তা আগে সাংবাদিকরা খবর পান। দেশকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন খাঁন ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন এর যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।
এছাড়াও উপস্থিত সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. লুৎফুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক এমপি জেবুন্নেছা হক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ,সাবেক সহ-সভাপতি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ এম.পি, আশফাক আহমদ, এডভোকেট শাহ ফরিদ আহমদ,সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, জি.পি.রাজ উদ্দিন, আব্দুল খালিক, মো: আলী দুলাল, এড.মইনুল ইসলাম, খোকন কুমার দত্ত, সাইফুল আলম রুহেল, হাজি রইছ আলী, এড মাহফুজুর রহমান, হাজি ফারুক আহমদ, নজরিন হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সাদ উদ্কিন আহমদ, এড.রনজিত সরকার, কবির উদ্দিন আহমদ, ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী, এমাদ উদ্দিন মানিক, ডাঃ আরমান আহমদ শিপলু, জগলু চৌধুরী, মোস্তাকুর রহমান পলাশ, অধ্যক্ষ সামছুল ইসলাম, মো: ইব্রাহিম, মোস্তাকুর রহমান মফুর, আবদাল মিয়া, বতরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, এড আজমল আলী, শহীদুর রহমান শাহিন, সামসুন নাহার মানু, আসমা কামরান, সালমা বাসিত, এড. সালমা সুলতানা, মাধুরী গুন, রওশন জেবীন, নাজরা চৌধুরী, সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খাঁন মুক্তি,সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসর আজীজ, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন কয়েছ, মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিটু, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাহাত তরফদার, সাধারণ সম্পাদক এমরুল হাসান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম. শাহরিয়ার আলম সামাদ, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাসিত রুমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম তুষার, সিলেট মহানগর তাঁতীলীগের আহবায়ক নোমান আহমদ, সদস্য সচিব শেখ মোঃ আবুল হাসনাত বুলবুল, সিলেট জেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব সুজন দেবনাথ,জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম রশিদ চৌধুরী, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি এম.শাহরিয়ার কবির সেলিম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম রুমেন, মহানগর কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল মোমিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দর রকিব বাবলু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সামছুল ইসলাম, মহানগর মৎসজীবী লীগের সভাপতি এম.এন.নবী, সাধারণ সম্পাদক মৃদুল কান্তি দাস প্রমুখ।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close