ভিন্ন মতাদর্শী নুরু কী এভাবেই বার বার নির্যাতিত হবে?

নুরু আহত না নিহত ‘ইট ডাজ্যান্ট ম্যাটার’ এ কথাটার মানে কী? এর নাম কী ছাত্ররাজনীতি? অথচ এরা দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের শিক্ষার্থী। আজ স্পষ্ট, একাত্তরের শোষকদের জিন এখন বাংলায় রয়ে গেছে, এধরণের নৈরাজ্য হায়েনা পাকিস্তানিদের বংশধর এবং আল সামসের সদস্যরা করতে সাহস দেখায়। দেশের ছাত্ররাজনীতিতে বিষাক্ত ক্যামিক্যাল ঢুকিয়েছে ছাত্রলীগ যার বিষক্রিয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে।

গোলাম রাব্বানী দিনের পর দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে তার আচরণে অবাক না হয়ে পারি না। কি অদ্ভুত ব্যাপার এই গোলাম রাব্বানী দুর্নীতির এবং চাদাবাঁজীর দায়ে দল থেকে বহিস্কার বহিষ্কৃর্ত তারপরও সে সবার উর্দ্বে। কিন্তু কীভাবে? আশ্বর্য হই সে এখনও বহাল তবিয়তে আইন এবং আদালতের বাইরে কী করে? শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এর নাকের ডগায় উপর বৃদ্ধাআঙ্গুলি প্রদর্শন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্তিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কী তাকে আইনের আওতাধীন আনতে ভয় পায়? তাহলে কী সে র এর এজেন্ট? সে এত ক্ষমতা পায় কোথায় থেকে?

নুরু রাশেদের অপরাধ কী? সরকার বিরুদ্ধী মতবাদের জন্য বার নির্যাতিত হচ্ছে তারা।ভিন্ন মত প্রকাশ করা এখন পাপ। ভিন্ন মতের হলেই সরকারের বিশেষ বাহিনী তুলে নিয়ে যায়, আর যাদের নিয়ে যায় তাদের আর খোঁজ মিলে না। এর নাম কী বাংলাদেশ? সাবাশ বাংলাদেশ , এই কী স্বাধীনতার সুফল? নুরু রাশেদরা ভিন্নমত পোষণ করে এটা তাদের অপরাধ। হায়রে রাষ্ট্র…, রাজাকারের উত্তরসূরিরা দখল করে করে নিচ্ছে প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলেমেয়েরা কখন নাম বাঙ্গিয়ে নৈরাজ্য করতে পারে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হকের ওপর আবারও হামলা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামে সংগঠিত দেশবিরুদ্বী দোসর ছেলেরা। স্পষ্ট লক্ষণীয় রাষ্ট্রীয় মদদে নুরুকে হত্যার উদ্দেশে আক্রমণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী দ্বারা নুরুল হক নুরুকে হত্যার নির্লজ্জ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও তার সাঙ্গরা। স্বৈরাচারী সরকারের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তারা যে কোন সময় নরুকে হত্যা বা গুম করে দিতে পারে।

নুরুকে কিন্তু এই প্রথমবার পিঠানো হয়নি, এর আগেও অনেকবার ছাত্রলীগ হাতুড়ি পিঠা দিয়েছে। এবারের ডেভলাপমেন্ট একটু ভিন্ন, যেমন মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ নামে ছাত্রলীগ এবং বহিরাগত ছেলেরা নুরুকে রুমে বন্ধি করে পৈশাচিক অত্যাচার করেছে। আমরা বিষ্মিত সরকারের সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ কেন বার বার নুরকে মারে? আমরা নুরুকে নিয়ে চিন্তিত। ভিন্ন মতাদর্শের হলেই বিপদ যা সরকার বার বার নির্লজ্জভাবে প্রমাণ করছে। এর শেষ কোথায়?

মুক্তিযোদ্ধা নামে যে মঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে আসলে এরা কারা? এদের প্রত্যেকের পরিচয় জানা প্রয়োজন। জাতি জানুক এরা কে! মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলেমেয়েরা কখন নাম বাঙ্গিয়ে নৈরাজ্য করতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধের মত পবিত্র নাম ব্যাবহার করে রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার পায়তারা হচ্ছে। প্রশ্ন জাগে একাত্তরের স্বাধীনতা বিরুদ্ধী চরদের উত্তরসূরিরা কী আবার সক্রিয়?

মোঃ হাফিজুর রাহমান
কলামিষ্ট , রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং অনলাইন এক্টিভিষ্ট

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close