[COVID19-WIDGET country="Bangladesh" title_widget="Bangladesh" confirmed_title="Confirmed" deaths_title="Deaths" recovered_title="Recovered"] [COVID19-WIDGET title_widget="Worldwide" confirmed_title="Cases" deaths_title="Deaths" recovered_title="Recovered"] বাবা মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের উভয় তালিকায় – Sylhet News | সুরমা টাইমস [COVID19-WIDGET country="Bangladesh" title_widget="Bangladesh" confirmed_title="Confirmed" deaths_title="Deaths" recovered_title="Recovered"] [COVID19-WIDGET title_widget="Worldwide" confirmed_title="Cases" deaths_title="Deaths" recovered_title="Recovered"]

বাবা মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের উভয় তালিকায়

অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্ত্তী। গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা তালিকার ক্রমিক নম্বর ১১২, পৃষ্ঠা নম্বর ৪১১৩; মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন নিয়মিত। সদ্যঘোষিত রাজাকারের তালিকায় তিনি এখন ৬৫ নম্বর রাজাকার। অ্যাডভোকেট সুধীর কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তার সহধর্মিণী উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।- এমনই অভিযোগ করেছেন বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

ডা. মনীষা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্ত্তীর মেয়ে। তিনি বাসদ বরিশালের সদস্য সচিব ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী প্রার্থী ছিলেন। উষা রানীও মনীষার পরিবারের সদস্য।রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজাকারের তালিকা প্রকাশের পর সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ডা. মনীষা এ ঘটনাকে নিজের ‘রাজনীতির খেসারত’ আখ্যা দেন।

মনীষা লিখেন, “মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করার পুরস্কার পেলাম আজ। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগকে। সদ্য প্রকাশিত রাজাকারদের গেজেটে আমার বাবা এবং ঠাকুমার নাম প্রকাশিত হয়েছে। আমার বাবা এড. তপন কুমার চক্রবর্ত্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও পেয়ে থাকেন! আজ রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৫ নাম্বার রাজাকার। আমার ঠাকুরদা এড সুধীর কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরও লিখেন, “শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য আমার রাজনীতি করার খেসারত দিতে হচ্ছে আমার মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগ সরকারকে।”

ডা. মনীষা লিখেন, “আমার দল বাসদ আমাকে শিখিয়েছে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করাকে। মিছিল থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নির্যাতন করে ওরা বলেছিল যে আন্দোলন যেন না করি, নির্বাচনে যেন অংশ না নিই। রাজি না হওয়ায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে অজামিনযোগ্য মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ করেছে। আমরা জেল খেটেছি, নির্যাতন সহ্য করেছি কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি। ভয় দেখিয়ে বা বিপদে ফেলে আমাদের কিছু করা যাবে না। অভুক্ত, অর্ধভুক্ত গরীব খেটে খাওয়া মানুষ আছে আমাদের দলের সাথে। আছে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী। অতীতের মতো আজ এবং আগামীতে আপনাদের পাশে পাবো সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।”

উল্লেখ্য, রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা ঘোষণা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এই তালিকা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তালিকা প্রকাশকালে বলেছেন, “একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই, আমরা কোনো তালিকা তৈরি করছি না। যারা একাত্তরে রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বা স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং যেসব পুরনো নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত ছিল সেটুকু প্রকাশ করছি।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close