বিয়ানীবাজারে সংবাদ সম্মেলনে মায়ের বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ

সিলেটের বিয়ানীবাজারের আফিয়া বেগমের কারণে ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষাজীবন ব্যহত হচ্ছে তারই মেয়ে মরিয়ম আক্তার জুমির। সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন জুমি। জুমি বিয়ানীবাজার থানার উত্তর শ্রীধরা গ্রামের ছালমান খানের মেয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে জুমি বলেন, প্রায় ২০ বছর পূর্বে তার বাবা ছালমান খানের সাথে মা আফিয়া বেগমের বিবাহ হয়। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়। একপর্যায়ে বাবা-মা আলাদাভাবে বসবাস শুরু করেন। জুমি বলেন, ‘প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার কারণে নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার আইনগত সকল অধিকার আমার রয়েছে। কিন্তু মায়ের কারণে তার ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষাজীবন ব্যহত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বাবার আর্থিক অভাব অনটনের কারনে সিলেট শহরে আলাদা বাসা নিয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ ছিল না। যে কারইে আমার পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ দেখে আমার মামা সম্পর্কীয় জাকির উদ্দিন ওরফে জাকির হোসেনের সিলেট শহরের বাসায় আমাকে পাঠিয়ে দেন বাবা। তিনি আমাকে তার মেয়ের মতই বাসায় রেখে পড়ালেখার সুযোগ করে দেন। তার পরিবারের সকলেই আমাকে ¯েœহ মমতায় আগলে রাখেন। বিষয়টি আমার মা আফিয়া বেগম ভালভাবে নেননি। তিনি জাকিরকে শায়েস্তা করতে নানাভাবে উঠেপড়ে লাগেন এবং তাকে প্রাণে মেরে ফেলার এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেন।’

‘নিরুপায় হয়ে আমার মামা জাকির উদ্দিন আমার মা আফিয়া বেগম ও শাহজাহান গংদের বিরুদ্ধে মাননীয় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম আদালত সিলেটের নিকট মামলা দায়ের করেন। কোতয়ালি থানার বিবিধ মামলা নং ৩৫/২০১৮। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেন। আদালতের নিকট আমার বাবা ও মা নিজ নিজ জিম্মায় আমাকে নিতে পৃথক পৃথকভাবে প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত গত আমার ইচ্ছাকে প্রাদান্য দিয়ে আমাকে আমার বাবা ছালমান খাঁনের জিম্মায় ১ হাজার টাকা বন্ড সম্পাদনক্রমে প্রদানের আদেশ দেন। আদেশ নং ১৭। বর্তমানে আমি আমার বাবার জিম্মায় রয়েছি।’

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘জীবনের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্ধিগ্ন থাকায় বিয়ানীবাজার থানায় আমার মা আফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে জিডি এন্ট্রি করেছি। মা আমাকে তার জিম্মায় নিতে ব্যর্থ হয়ে আমার মামা জাকির উদ্দিন ও ইমরান উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতের নিকট একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারও রটিয়েছেন। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে আমি আইনগত ব্যবস্থাও নেব।’ – বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close