বালুচরে যুবকের মৃত্যু যেনো এক রহস্যভরা:এক যুবক গ্রেফতার

মানুষের জীবনে অন্যতম চরম সত্যের নাম মৃত্যু। কোথায় কখন কার মৃত্যু লুকিয়ে আছে সেই কথা বলতে পারবেনা কেউই। চলতে চলতে মানুষের যেমন মৃত্যু হতে পারে, তেমনি ঘুমের মধ্যেও হতে পারে মৃত্যু।

তবে এ মৃত্যু যেনো এক রহস্যভরা:

এমন-ই এক যুবক গত ১২ নভেম্বর সমবার তার নিজ বাসায় মৃত্যু হয়, শাহপরান থানার বালুচর নয়া বাজার এলাকায়।পরে থানা পুলিশ এসে যুবক ছেলেটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

ময়না তদন্ত শেষে যুবক ছেলেটির লাশ মানিক পীর টিলায় দাপন করা হয়।

এ ঘটনায় সিলেটপোস্ট ২৪ ডটকমে গত ১৩ নভেম্বর বালুচর এক যুবকের ঘুমের মধ্যে মৃত্যু! সন্দেহ পুলিশ ও স্হানীয়দের শিরোনামে একটি রিপোর্ট করে।

সেই রিপোর্টের তথ্যমতে আজ সকাল সাড়ে এগারো টায় বালুচর জোনাকির আরাফাতের ছেলে জাল আমিন(১৮)কে আটক করে স্হানীয় জনগন।পরে তার সিকারোক্তিতে জনগন পুলিশের কাছে আটকৃত জাল আমিনকে হস্তান্ততর করে।আটকৃত জাল আমিনের সিকারোক্তি মুলক জবানবন্দি অনুযায়ী জানাগেছে,যে দিন সুমন মিয়া

রাত তার বাসায় ফিরে তখন সুমনের সাথে ছিল জাল আমিন ।এবং এক সাথে দু-জন ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ফজর এর পর জাল আমিন ঘুম থেকে উঠে পশ্রাব করে।এবং এর পর দেখতে পায় সুমন গলায় ফাঁস লাগিয়ে মরে গেছে ,এসব দেখে সুমনের গলায় ফাঁস খুলে সে মৃত সুমনকে বিছানায় শুয়ে রাখে।এরপর রুমে লাশ রেখে সুমনের মোবাইল তার সাথে করে নিয়ে চলে যায় জাল আমিন।এসব কথা আজ স্হানীয় লোকজনদের হাতে আটক হওয়ার পর জাল আমিন নিজে তার মুখে জবানবন্দি দিয়েছে। আটকের সংবাদ পেয়ে শাহপরান থানা পুলিশ এসে জাল আমিনকে আটক করে নিয়ে যায় ।এবং জাল আমিনের তথ্যমতে মৃত সুমনের মোবাইল ফোন নগরীর লাল বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এ আটকের ঘটনার বিষয়ে হযরত শাহপরান থানার ওসি সিলেটপোস্টকে বলেন ,আমি আটকের ঘটনা জেনেছি এবং মোবাইল ফোনটি উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে থানা থেকে ।আমি এখন জরুরী কাজে থানার বাহিরে আছি থানায় গেলে সব তথ্য দিতে পারবো বললেন ওসি।

‘উল্লেখ্য’ জানাগেছে,বালুচর নয়াবাজার এলাকার শামিম মিয়ার কলোনির ভারাটিয়া সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ভাটি পাড়া গ্রামের বর্তমান বালুচর এলাকার বাসিন্দা টিটু মিয়া (ওরপে পীর টিটুর)ছেলে সুমন মিয়া (১৭)গত ১২ নভেম্বর সমবার রাতে একা বাসায় ঘুমিয়ে থাকে।পরের দিন তার মা বাসায় এসে দেখেন দরজা খোলা আর ছেলে ঘুমিয়ে আছে দেখে ছেলেকে আর ডাক না দিয়ে ঘরের আর্বজনার দিকে তিনির নজর পরলো।ছেলেটির মা দেখতে পেলেন ঘরের ফ্লোরে প্রচুর সিকারেটের ময়লা,তেতুল গুলিয়ে রাখা আর বমি করে বিছানা ও ফ্লোর দুর গন্ধ বরা ।

তিনি এসব পরিস্কার করে কিস্তি দেওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে কিস্তি দিতে গেলেন।ঘন্টা দু এক পরে এসে রান্নার কাজ ও শেষ করলেন ।একটু পরে যখন দেখলেন যোহরের আযান হয়ে যাচ্ছে ছেলে ঘুম থেকে উঠতেছেনা তখন তার মা ডাক দিলে তার কোনু সারা না পেয়ে হাত পা ঠান্ডা দেখে চিৎকার করে কাদতে থাকেন ।মায়ের আর্ত চিৎকার শুনে পাশের বাসার লোকজন এসে জরো হয়। এবং সবাই দেখে নিশ্চিত হন যুবক ছেলেটি মারাগেছে।

ছেলেটি যে দিন একা রাতে ঘুমিয়ে ছিল সে দিন তার পরিবারের কেউ বাসায় ছিলনা।তবে পাসের বাসার লোকজন বলছিল সে রাতে অন্য রাতের মতো মোবাইলে গান শুনছিল।কিন্তু ঘরে তার মৃত দেহটি থাকলে ও খোজে মিলছেনা তার মোবাইলটি।তা ছারা ঘরের দরজা টা ও তার মা এসে খোলা পেয়েছেন।এসব মৃত ছেলেটির মা সিলেটপোস্টকে বলেছেন।আরো সুত্রে জানাযায়,নাম বলতে অনিচ্ছুক রাত যখন বাসায় যায় সুমন, তখন তার সাথে একটি ছেলে ও ঘরে গিয়েছিল।

Sharing is caring!

Loading...
Open