নগরীর লালবাজারের সেই আলোচিত আবাসিক হোটেল বিক্রি হচ্ছে


মনোরম ও সুপরিচ্ছন্ন পরিবেশে’ থাকার ব্যবস্থার কথা সাইনবোর্ডে লিখা ছিল সিলেট নগরীর লালবাজারের আবাসিক হোটেল ‘আজাদ বোর্ডিং’-এ। কিন্তু এখানে মনোরম পরিবেশে থাকার পরিবর্তে চলত অসামাজিক কর্মকাণ্ড, দেহ ব্যবসা।

গেল মঙ্গলবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী পুলিশকে সাথে নিয়ে এই হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিকতায় জড়িত ১২ নারী-পুরুষকে আটক করেন। অভিযানে হোটেলটিকে সিলগালা করে দেয়।

এ ঘটনার পরদিনই গতকাল বুধবার হোটেলটির গেইটে ‘বিক্রি করা হবে’ এমন নোটিস লাগানো হয়েছে।

আজাদ বোর্ডিং-এ দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলতো জানিয়েছেন লালবাজারের ব্যবসায়ীরা। তারা জানিয়েছেন, দিন-রাত রমণীদের আনাগোনায় এই এলাকায় চলাফেরা করা দায় হয়ে পড়েছিল। মেয়র আরিফুল হক বন্দরবাজারে অভিযানে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মেয়রের কাছে এ হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়টি জানান। পরে তাৎক্ষণিক মেয়র পুলিশ সদস্যদের নিয়ে আজাদ বোর্ডিং আবাসিক হোটেলে অভিযান চালান। এসময় ৫ নারী ও ৭ পুরুষকে আটক করা হয়। মেয়র এসময় ট্রেড লাইসেন্স, ভবনের অনুমোদন আছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এছাড়া সিলেট চেম্বার অব কমার্সকে তাদের সদস্যপদ বাতিল ও জেলা প্রশাসককে হোটেল ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল করার আহবান জানান মেয়র।

অভিযানে আজাদ বোর্ডিং সিলগালা করে দেওয়ায় এটি মঙ্গলবার থেকেই বন্ধ ছিল। এরপর আজ বুধবার হোটেলের গেইটে ‘জরুরী ভিত্তিতে আজাদ বোর্ডিং বিক্রি হইবে’ লিখা নোটিস টানানো হয়েছে।

ওই নোটিসে দেওয়া ফোন নাম্বারে কল করা হলে ফখরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করেন। তিনি বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারণে তারা হোটেলটি বিক্রি করে দিতে চান।

Sharing is caring!

Loading...
Open