গোয়াইনঘাটে পঙ্গু সিরাজ উদ্দিন ২২ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি মামলায় ৫ বছরের জেল

গোয়াইঘাট উপজেলায় ৬নং ফতেপুর ইউনিয়নের ২য় খন্ড গ্রামে মৃত সিরাজ উদ্দিনের পুত্র বশির উদ্দিন জগন্নাথপুর উপজেলার জিল্লুর রহমান যে ব্যক্তি এলাকায় এসে সরকারি জায়গা ও গরিব মানুষের ভিটেমাটি নামমাত্র মূল্যে হাতিয়ে নিচ্ছেন এবং তার কথা না মানলে মিথ্যা মামলা এবং স্থানীয় কিছু মুরব্বীদের ব্যবহার করে নিরিহ মানুষকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে বশির উদ্দিনের ভিটেমাটিও উচ্ছেদ করতে চাইলে সে প্রতিবাদী হওয়ার কারণে তার উপর ৫টি মিথ্যা মামলা ও তাকে ভারতীয় মদ ও গাঁজা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিয়ে সাড়ে ৪ মাস জেল খেটে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চাপে পড়ে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা ও তার উপর যাবতীয় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার শর্তে রাজি হয়ে স্বাক্ষর করার পর তাকে টাকা না দিয়ে দীর্ঘ ৮ মাস সময় ক্ষেপন করায় যারা আপোষের নামে প্রতারণা করেছে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হাসান, মিনহাজ উদ্দিন সহ যারা জড়িত ছিল তাদেরকে গোয়াইনঘাট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং ২২৫/২০১৯। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা স্থানীয় চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ চৌধুরী শালিসের নামে তাকে ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে ১৫ নভেম্বর জোরপূর্বক হাত-পা বেধে স্বাক্ষর নেয়। বশির উদ্দিন মিথ্যা মামলা ও প্রাণে রক্ষার্থে সিলেট পুলিশ সুপার বরাবর ১৮ নভেম্বর একটি অভিযোগ দাখিল করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা তার হলো না ১৯ নভেম্বর জিল্লুর রহমান দ্বারা ২২ লক্ষ টাকার একটি চাঁদাবাজীর মামলায় এই পঙ্গু অসহায় ব্যক্তিতির ৫ বছরের জেল হল। সারাদিন তার সাথে পরিবারের কেউ যোগাযোগ করেনি। এমনকি কিভাবে বের হবে তার সে কিছু জানে না। আমাদের প্রতিবেদক তাকে মামলার বিষয়ের জিজ্ঞাসা করতেই কান্নায় ভেঙ্গে পরে সে আল্লাহর কাছে বিচারের ভার ছেড়ে দেয়। সে বলে যারা আমার হাত-পা ভাঙ্গল, বিচারের নামে বেবিচার করলো এবং টাকার বিনিময়ে মিথ্যা স্বাক্ষর দিয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েও চেয়ারম্যান আমাকে না বাচিয়ে উল্টা পরিকল্পিতভাবে আমাকে জেলে ঢুকানোর অংশ হিসেবে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করলেন। সাংবাদিক সমাজের মাধ্যমে আমার ন্যায় বিচার পেতে দেশবাসীকে বিষয়টি জানান ভাই, এছাড়া আমার আর কোন পথ খোলা নেই।

–বিজ্ঞপ্তি।

Sharing is caring!

Loading...
Open