হিন্দুয়ানী দীঘির পাড় দখল,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন সিসিক

নগরীর উপশহরের সৈয়দানীবাগ এলাকার হিন্দুয়ানী দীঘির পাড়ে অবৈধভাবে নির্মিত দেয়াল ভাঙলো সিলেট সিটি করপোরেশন।
সিসিক’র অনুমোতি না নিয়ে দেয়াল এবং পিলার নির্মাণ করায় বৃহস্পতিবার সকালে বুলডুজার দিয়ে এসব গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে বুধবার রাতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় শাহপরাণ থানা পুলিশ দীঘির পাড়ের জমিতে সব ধরণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে,পুলিশ এবং সিসিক’র অভিযানে এই জমি দখলদারদের পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে। হিন্দুয়ানী দীঘির পাড়ে মাঠিভরাট করে দেয়াল নির্মান ও দেয়াল নির্মানের পর পুরো হিন্দুয়ানী দীঘি সাবার করার টার্গেট ছিলো একটি সংঘব্ধ চক্রের।

এই ঘটনায় উপশহর ফাড়িঁর ইনর্চাজ এসআই মো.মোনজ মিয়াকে ফাঁড়ি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাকে আবার থানায় নেয়া হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর রোববার রাত থেকে এই জমির দীঘির পাড়ের গাছ কর্তন,মাটি ভরাট,বাশেঁর বেড়া দেয়া এমনকি সীমানা নির্ধারণ করে দেয়ালও নির্মান করেছিলেন কলোনী ব্যবসায়ী সৈয়দ আফজাল, সৈয়দ সমু,।

গত ১৪ জুলাই আদালত এই হিন্দু আলী দীঘির পাড়ের জমিতে স্থিতাবস্থা জারি করান সৈয়দ আজিজুল হোসেন বাবুল গং। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই জমিতে স্থিতাবস্থা জারি থাকবে আদেশ করেছেন উচ্চ আদালত।

এই দীঘির পাড়ের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারনে সৈয়দ নয়ন নামে একজন অংশিদারকে টাকার বিনিময়ে ফিটিং মামলায় ফাসানোর অভিযোগ উঠেছে ওই সঙ্গবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। নয়ন গ্রেফতারের আগে বিষয়টি টের পেয়ে তার এবং তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি লাইভ করে।

উচ্চ আদালতে মামালার বাদী সৈয়দ আজিজুল হোসেন বাবুল বলেন,উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমির দীঘির পাড়ের গাছ কর্তন, মাটি ভরাট, বাশেঁর বেড়া দেয়া এমনকি সীমানা নির্ধারণ করে দেয়ালও নির্মান করছেন কলোনী ব্যবসায়ী সৈয়দ আফজাল,সৈয়দ সমু, ও সৈয়দ আফজল।

সিসিক’র অনুমোতি না নিয়ে রাস্তার পাশে দেয়াল এবং পিলার নির্মাণ করায় এসব গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

Sharing is caring!

Loading...
Open