কুলাউড়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের কোন আলামত মেলেনি: পুলিশ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি ডাক্তারি পরীক্ষায়। কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউসার দস্তগীর আরও জানান, ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে গত ২৪ অক্টোবর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। সেটা ধর্ষণের চেষ্টা মাত্র। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করেন। তিনি সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেন। তবে ঘটনাস্থল দেখে মনে হয়েছে এই জায়গা ধর্ষণ করার মত না। গত ২৮ অক্টোবর ডিএনএ টেস্টের জন্য তার একটি সেম্পল ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গত ১ নভেম্বর ধর্ষিতার মেডিকেল রির্পোট কুলাউড়া এসে পৌঁছায়। তবে ধর্ষণ করার মত কোন আলামত নেই।

তিনি আরও জানান, ওই শিক্ষার্থী ঘটনার পর থানায় এসে বলেছে তাকে খারাপ কাজ করার চেষ্টা করেছে। ফলে থানা পুলিশ ধর্ষণের চেষ্টার মামলা নেয়। পুলিশ ধর্ষণের চেষ্টার মামলা নিলেও পরবর্তীতে ধর্ষণের ধারা সংযুক্ত করা যায়।

স্কুল ছাত্রী ২২ ধারায় আদালতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে যে স্বীকারোক্তি দিয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি জানান, আদালতে অনেকে অনেক কথাই বলতে পারে। আদালত সে বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর তাই এ সংক্রান্ত রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আরো দায়িত্বশীল হয়ে সঠিকভাবে তথ্য যাচাই করে সংবাদ পরিবেশন করার অনুরোধ করেন সাদেক কাউসার দস্তগীর।

Sharing is caring!

Loading...
Open