ভোলায় পুলিশ-জনতার সংঘর্ষে নিহত ৫

ভোলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে কুটূক্তি করার প্রতিবাদে বোরহানউদ্দিন উপজেলায় তৌহিদী জনতার বিক্ষোব সমাবেশে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২ জনকে বরিশালে মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়াও, গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত প্রায় দুই শতাধিক সাধারণ জনগণ।

বোরহানউদ্দিন পৌর ৩ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিল মিরাজ পাটোয়ারির ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান আহবায়ক যুবলিগ বোরহানউদ্দিন, মো: মিজান ঘটনাস্থলে পুলিশের গুলিতে মারা যান। এদিকে ভোলা হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় মো: মাহবুব, মো: শাহীন, এবং আব্দুল গনি ও ইশা ছাত্র আন্দোলনের সসদস্যসহ ৫ জন নিহত ও ২ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ করা হয়েছে। দুইজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তবে ভোলা সদর হাসপাতালে পরিস্থিতিতে জানা যায় প্রচুর রক্তক্ষরনে অনেকে মৃত্যর সাথে পান্জা লড়ছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না।

জেলা পুলিশসুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার আহমেদ বলেন, শান্তি শৃঙ্খলেই বিক্ষোব সমাবেস চলছিল কিন্তু এক পর্জায়ে কিছু উশৃঙখল জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে, পুলিশ আত্মরক্ষার্তে ফাকা গুলি করে তখন জনতা পুলিশের উপর হামলা করলে পুলিশ আত্মরক্ষার্তে গুলি চালায় এসময় এঘটনা ঘটে এবং একজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয় এবং তিনি আরোও বলেন অভিযুক্ত আসামি সোভন চন্দ্রকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তার পেসবুক আইডিটি মুলত হ্যাকিং করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতমুলক বক্তব্য লিখা হয়েছিল যার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম সাধারণ জনতা তার ফাসি চেয়ে রাস্তায় আন্দোলনে নেমে পড়ে । পুলিশের গুলিতে নিহতের ঘটনায় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে হাসপাতাল প্রাঙ্গন।

ঘটনাস্থলে র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তবে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open