ইউপি চেয়ারম্যান তৈয়ব কামালীর বক্তব্যের ভিন্ন মত যুবলীগ নেতা লালনের


সুরমা টাইমস ডেস্কঃ  সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালীর দেয়া বক্তব্যের ভিন্নমত পোষন করেছেন জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালন।তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন তৈয়ব কামালীর দেয়া মিথ্যা বানোয়াট এবং নিজের দোষ আড়াল করার জন্য তথাকথিত সাজানো গল্প শুনে মর্মাহত ও সংক্ষুব্দ হয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন কর্মী।

যেদিন থেকে জয়বাংলা স্লোগানে উদ্ভুদ্ধ হয়ে রাজনীতি শুরু করেছিলাম সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত দলের নীতি ও আদর্শ থেকে এক দিনের জন্য আদর্শচ্যুত হইনি এটাই আমার অহংকার।আমি সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলাম। যে কমিটিতে আহবায়ক ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার এনামুল কবির ইমন। পরবর্তীতে আমি জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবয়কের দায়িত্ব পালন করি। পরবর্তীতে সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হই।

আমার এই ক্ষুদ্র রাজনৈতিক জীবনে আমি সততার সাথে চলার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো উল্লেখ করেন বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে এবং জাতীয় নির্বাচনে নৌকার পক্ষে থেকে ধানের শীষের গোপনে প্রচারনাকারী তৈয়ব মিয়া কামালী কালো টাকার বিনিময়ে নৌকার প্রতিকের প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়ে আজ রাজনীতিতে পেশী শক্তি দেখিয়ে রাজনীতিকে কলোষীত করার অংশ হিসেবে বিগত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত ১১টায় আমি দলীয় সভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে চেয়ারম্যান তৈয়ব কামালী তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে উৎপেতে বসেছিল।

এ খবর আমার সাথে থাকা সিনিয়র নেতৃবৃন্দ জানার পর সভাস্থলে আসা নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে আমাকে বাড়ি পৌছে দেন। এবং পরে বৃহত্তর শাহারপাড়া আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভায় তৈয়ব কামালীর সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারনে বৃহত্তর শাহারপাড়া আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম থেকে তৈয়ব কামালীকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়। পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জরুরী সভার মাধ্যমে ইউনিযন আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম থেকে তৈয়য়ব কামালীকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়।

প্রকৃত পক্ষে তৈয়ব কামালী কর্তৃক আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার কারনে চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এবং সে তার অবৈধ কালো টাকার জোরে সত্য ঘটনাকে আড়াল করতে নানান মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ইতোমধ্যে আমার জানমাল রক্ষায় এবং অব্যাহত হুমকির প্রেক্ষিতে তৈয়ব মিয়ার বিরুদ্ধে আমি থানায় জিডি এন্ট্রি রুজু করি। তৈয়ব কামালীর সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন বিরোধ নেই, যা রাজনৈতি ও সামাজিক নেতৃবৃন্দই এর প্রমান। আমি ও তৈয়ব মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনে তার পক্ষে নৌকা প্রতীকের জন্য এলাকার লোকজনের পরামর্শে নেতৃবৃন্দের সাথে তাকে পরিচয় করিয়ে ছিলাম।

প্রকৃত পক্ষে তৈয়ব মিয়া কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলনা। সে কারনে আবুল হাসান আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে নৌকা প্রতীক পেয়ে থাকেন। এবং আমি আওয়ামী লীগের আদর্শের কর্মী হিসেবে নৌকার পক্ষে কাজ করেছি। সেই থেকে তৈয়ব মিয়া আমার ক্ষতি সাধনে লিপ্ত রয়েছে।গত উপজেলা নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন সহ বিভিন্ন নির্বাচনে তৈয়ব মিয়ার প্রশ্নবিদ্ধ ভুমিকার কারনে এমনকি তার আচরনের কারনে ইউনিয়নের দলীয় কোন কার্যক্রমে আমন্ত্রন জানানো হয়না।

আমি উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কিন্তু তৈয়ব কামালী ইউনিয়নের কার্যক্রমে আমাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বানিয়ে হত্যা করে তার পথ পরিস্কার করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং আমার ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং তৈয়ব মিয়া কামালীর হীন কার্যকলাপে এবং মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে সর্ব মহলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

Sharing is caring!

Loading...
Open