সীমান্তে আটকে থাকা এলসির পেঁয়াজ রপ্তানি করার অনুমতি

ভারত সীমান্তে আটকে থাকা পূর্বের এলসি করা পেঁয়াজ অবশেষে রপ্তানি করার অনুমতি দিয়েছে সে দেশের সরকার। ভারতের হিলি এক্সপোর্টটার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সনজিৎ মজুমদার এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও বেলা ১২টা ২০মিনিট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজবোঝাই ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে আসা শুরু হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী মোর্শেদুর রহমান ও নাজমুল হক জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ব্যাপক বন্যায় পেঁয়াজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে ভারতে পেঁয়াজের সঙ্কট সৃষ্টি হলে দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অভ্যন্তরীণ মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং জনদুর্গতি ঠেকাতে সে দেশের সরকার গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় সীমান্তের ওপারে প্রায় ৬০টি ট্রাকে দেড় হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আটকে থাকায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারতের ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। অবশেষে ৫দিন পর পূর্বের এলসি করা পেঁয়াজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে রফতানি করার অনুমতি দেওয়া হয়।

ওই ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গত কয়েকদিন ধরে পেঁয়াজের বস্তা ট্রাকে বাঁধা অবস্থায় ছিল। ফলে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা নুর আমিন জানান, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অনুরোধে শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। কারণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি হয়ে আসা পেঁয়াজের চালান দ্রুত খালাস করা হচ্ছে। যাতে করে ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় এই পণ্যটি দ্রুত বাজারজাত করতে পারেন।এদিকে শুক্রবার আমদানি হয়ে আসা পেঁয়াজ বন্দরের মোকামগুলোতে মান ভেদে ৮০-৯০ টাকা কেজিতে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open