বিএনপির সময় থেকে ক্লাবে জুয়ার প্রচলন : সুনামগঞ্জে হানিফ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, ক্যাসিনো হচ্ছে জুয়ার আসর। এর সঙ্গে ক্লাব জড়িত। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল জড়িত না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটাকে দলের উপর চাপানো হচ্ছে। যুবলীগের ২/১ জন নেতা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু এটা তো পুরো যুবলীগের কোনো বিষয় না, এটা ক্লাবের বিষয়। এখানে যুবলীগ ছাড়াও বিএনপির অনেক নেতাকর্মী জড়িত আছে। বিএনপির মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, মোসাদ্দেক হোসেন ফালুর সময় থেকে ক্লাবে জুয়ার প্রচলন শুরু হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তারা সবসময় সরকারের আনুকূল্য নেয়ার জন্য সরকারি দলের ব্যানার ব্যবহার করতে চায় তাদের অপকর্ম জায়েজ করার জন্য। দেখেছি যারাই এখন পর্যন্ত আটক হয়েছে, সবগুলোই বিএনপি থেকে আসা।

আজ মঙ্গলবার (১লা অক্টোবর) সকালে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিনিধি সম্মেলনে যাওয়ার পূর্বে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। কোন দুর্নীতিবাজ দলের নয়, দলের দোহাই দিয়ে কেউ ছাড় পাবে না। যুবলীগ হোক, ছাত্রলীগ হোক, আওয়ামী লীগ হোক, বা অন্য দলের হোক, দুর্নীতিবাজ যেই হোক সে সমাজ ও দেশের চোখে অপরাধী। আর অপরাধীর কোনো দল নেই।

যুবলীগ নেতা সম্রাটকে আটক করা হলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে এ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে হানিফ বলেন, গণ্যমাধ্যম যদি জানে কাউকে আটক করা হলে সকল তথ্য পাওয়া যাবে, তাহলে এ বিষয়টা গণ্যমাধ্যমই বলতে পারবে। গণমাধ্যম যেহেতু এসব বলছে, তাহলে নিশ্চয়ই কোনো কিছুর উপর ভিত্তি করেই বলছে। তবে আমরা আবারো বলছি, যে অপরাধী তার কোনো দল নেই। তার বিরুদ্ধে আমাদের শক্ত অবস্থান আছে। অপরাধী সে যেখানেই থাকুক না কেন তাকে ধরা পড়তেই হবে। তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদ , কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্ধিন সিরাজ, সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিক, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, শামিমা শাহরিয়ার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমনসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

Sharing is caring!

Loading...
Open