গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমীর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের লাঞ্চিত করার অভিযোগ

গোলাপগঞ্জে সরকারী এমসি একাডেমীর প্রিন্সিপাল মনসুর আহমদ চৌধুরী কর্তৃক দু’জন সাংবাদিককে লাঞ্চিত ও জোরপূর্বক ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন আটকে রাখার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় গোলাপগঞ্জের সরকারী এমসি একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজে ধুমপানকে কেন্দ্র সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার একদল পুলিশ, পৌর কাউন্সিলর, অভিভাবক ও সাংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উত্তেজনার বিষয়টি নিয়ে প্রিন্সিপাল মনসুরের অফিসে বৈঠক বসলে দৈনিক যুগভেরী পত্রিকার গোলাপগঞ্জ সংবাদদাতা জয় রায় হিমেল উক্ত বৈঠকের ছবি তুলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রিন্সিপাল ক্যামেরা ও মোবাইল জোরপূর্বক নিয়ে জিম্মি করে রাখেন। এসময় উপস্থিত অপর সাংবাদিক সেলিম হাসান কাওসার এর প্রতিবাদ করায় তাকেও লাঞ্চিত করেন প্রিন্সিপাল মনসুর। লাঞ্চনার কারণ জানতে চাইলে প্রিন্সিপাল মনসুর আহমদ চৌধুরী ও সহকারী অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির সম্মুখে গালিগালাজ, ঘোষখোরসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। এসময় সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবি ডিলেট করেন মনসুর। প্রায় দেড় ঘন্টা পর উপস্থিত সকলের সহযোগীতায় প্রিন্সিপাল মনসুর সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফেরত দেন।

এদিকে বিষয়টি উপজেলার সচেতন মহলে ছড়িয়ে পড়লে প্রিন্সিপাল মনসুরের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠে। । পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোলাপগঞ্জে কর্মরত কয়েকজন সাংবাদিক মিলিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিজিৎ কুমার পাল বরাবরে অভিযোগটি দায়ের করেন। এ ব্যাপারে এমসি একাডেমীর প্রিন্সিপাল মনসুর আহমদ চৌধুরীর সাথে আলাপ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান মামুনুর রহমান জানান, আমি এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। –বিজ্ঞপ্তি।

Sharing is caring!

Loading...
Open