চেয়ারম্যান তৈয়ব কামালীর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র,থানায় জিডি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য তৈয়ব মিয়া কামালীর বিরুদ্ধে একদল উন্নয়ন বিরোধী কুচক্রীমহল গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি তাঁকে হত্যারও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ওই মহল। ফলে জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি।

ইতিমধ্যে জগন্নাথপুর থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।জানা যায়, পড়ালেখায় থাকাকালীন অবস্থায় যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী।

সেখানে ব্যবসা করার পাশাপাশি কমিউনিটি রাজনীতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি দেশে অবস্থানরত অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কার্যক্রমও চালিয়ে যান। জনগণের সেবার লক্ষ্যে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এলাকাবাসীর সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হন। নির্বাচন করার পূর্বে স্থানীয় জনৈক উপজেলা যুবলীগের এক শীর্ষ নেতা চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালীর কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা নেন। এরপর চেয়ারম্যান এ সুবিধা বন্ধ করে দিলে ওই যুবলীগ নেতা নিজেকে অন্য রূপে উপস্থাপন করেন। চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় মেতে ওঠেন। ওই নেতা দুটি নির্বাচন করলে দুটিতে পরাজিত হন।

অতিরঞ্জিত মাতব্বরি ও দলীয় প্রভাব খাঁটানোর জন্য তিনি পরাজিত হন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, চেয়ারম্যান তৈয়ব কামালী সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় ছাত্রলীগের এক নেতাকে পরিকল্পিতভাবে রাতের অন্ধকারে আহত নামক নাটক সাজিয়ে চেয়ারম্যানের উপর সরাসরি অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হয়েছে।তারা আরও জানান, এর আগে গত ইউপি নির্বাচনে তৈয়ব কামালীর সাথে পরাজয় নিশ্চিত জেনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতার বাহিনী একটি নির্বাচন কেন্দ্রে উদ্ভট পরিস্থিতির সৃষ্টি করে এবং একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও তৈয়ব মিয়া কামালীর এজেন্টকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

পরে নিরাপত্তাবাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এ নিয়ে মামলা মকদ্দমাও হয়েছে।যা চলমান।এরপর থেকে একাধিকবার চেয়ারম্যানের উন্নয়ন কাজকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে ওই ক্যাডার বাহিনী ইউনিয়ন পরিষদে ককটেল বিস্ফোরণ করে এবং তার নামফলকও ভেঙে ফেলে দেয়।

নির্বাচনের পর থেকে পরাজিত ওই জোট তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্য অপপ্রচার ও গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। একজন প্রবাসী মানুষ যদি নিজের স্বদেশের প্রতি টান রেখে প্রবাসের বিলাসী জীবনকে বিসর্জন দিয়ে দেশের মানুষের সেবা করতে এসে এমন ষড়যন্ত্রের শিকার হন তাহলে হয়তো আর কোন প্রবাসী দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করবেন না।

অচিরেই এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চেয়ারম্যানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open