শ্রীমঙ্গলে মঙ্গলচন্ডী মন্দিরে আগাম দুর্গা পূজা শুরু

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভূনবীর ইউনিয়নের ইছামতি চা বাগানের মঙ্গলচন্ডী মন্দিরে আগাম দুর্গা পূজা শুরু হয়েছে যা নবদুর্গা পূজা নামেও পরিচিত।রবিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ইছামতি চা বাগানে ৫শত বছরের পুরাতন শ্রীশ্রী মঙ্গলচন্ডির মন্দিরে বৈদিক নিয়ম অনুযায়ী দেবী দুর্গার শৈলপুত্রী রুপের পুজার মাধ্যমে দেবীর পৃথক ৯টি রূপের প্রথম রুপের পুজা করা হয়৷মন্ডপের প্রধান পুরহিত দিপংকর ভট্টাচার্য জানান, জগতের সকল অশুভ দূর করে শুভ ও সুন্দরের বহি প্রকাশ ঘটাতে এবং বিশ্ব জলবায়ূ পরিবর্তনের করাল

গ্রাস থেকে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য তারা বৈদিক নিয়ম অনুযায়ী এ পূজা করছেন।নবদুর্গাপূজা আয়োজন কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক জানান,এটি তাদের নবম আয়োজন।আগামী নবমী তিথি পর্যন্ত ৯দিন ব্যাপী শাস্ত্রীয় বিধানমতে দেবীর ৯টি রুপ শৈলপুত্রী,

ব্রম্ম্রচারিণী,চন্দ্রঘন্টা,কুষ্মান্ডা,স্কন্ধ মাতা,কাত্যায়নী,কালো রাত্রী,মহা গৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী রূপে পূজা করা হবে।দশমীতে করা হবে বিসর্জন৷এদিকে ব্যাতিক্রমী এ পূজা দেখতে প্রতি বছরের মত এবারও সকাল থেকেই পূজা মন্ডপে ভীর হচ্ছে প্রচুর দর্শনার্থীর।মন্দির প্রাঙ্গণে বসেছে মেলা।পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ দত্ত জানান, শ্রীশ্রী মঙ্গলচন্ডির এই তলিতে আনুমানিক প্রায় ৫শত বছর পূর্বে দেবী দূর্গার মঙ্গলচন্ডি রুপে পূজা হতো।প্রাচীন এ দেবস্থলিতে তারা বিগত ৯ বছর পূর্বে বিশেষ এ পূজার আয়োজন করেন।

তবে প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এ মন্দিরটির অবকাঠামোগত বেশ উন্নয়ন প্রয়োজন এ জন্য সরকার ও বিত্তবানদের সহায়তাও তারা কামনা করেন।পূজা দেখতে আসা চট্টগ্রামের অধিবাসী সজল দাশ জানান,জীবনে প্রথম তিনি নবদূর্গার পূর্জা দেখেছেন। এ পূজা দেখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন।পুরহিত ও পূজারীদের বিশ্বাস দেবীর দূর্গার আর্শিবাদে জগতের

সকল আসুরিক শক্তি দূর হবে আর পৃথিবীতে ফিরে মানব বসবাসের উপযোগী পরিবেশ। দেবী দূর্গার ৯দিন ব্যাপী এ পূর্জাচনার ফলে বিশ্ব হবে শান্তিময় এমনটাই প্রার্থনা ভক্তবৃন্দের।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close