গোয়াইনঘাটে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা ও মরিচের গুড়া নিক্ষেপ,আহত ৫

সিলেটের গোয়াইনঘাটে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ধরতে গিয়ে আসামীদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।আহতদের মধ্যে ৪জনকে সিলেট পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এক জনকে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।শুক্রবার দিবাগ রাত দেড়টার দিকে গোয়াইনঘাটের ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের বাদেপাশা গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, এয়ারপোর্ট থানার একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তারর করতে তার বাড়িতে গেলে ঐ বাড়ির নারীরা পুলিশের উপর প্রথমে মরিচের গুড়া মিশ্রিত পানি নিক্ষেপ করেন।এসময় বাড়ির সদস্যরা ‘ডাকাতা’ ডাকাত’ বলে চিৎকার শুরু কেরন। বাড়িতে ডাকাত পড়েছে দাবি করে স্থানীয় মসজিদেও মাইকিং করা হয়। এসময় আশপাশের কয়েকটি বাড়ির লোকজন সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের উপর হামলা চালায়।

তবে হামলার শিকার হয়েও আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।হামলায় মারাত্মক আহত হন এএসআই বারেক মিয়া, কনস্টেবল আব্দুল হালিম, রুমন মিয়া ও জাকারিয়া। তাদেরকে উদ্ধার করে সিলেটের পুলিশ লাইন হাসপাতালে এবং আরেক আহত এএসআই ছায়েদুর রহমানকে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় ধৃত আসামী আব্দুর রহমানও আহত হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।এদিকে,পুলিশ সদস্যদের উপর হামলার ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি পুলিশ এ্যাসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ জানান, ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের বাদেপাশা গ্রামের বাসিন্দা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তারে গেলে প্রথমে বাড়ির নারীরা পুলিশের উপর মরিচের গুড়া মিশ্রিত পানি ঢেলে দেন, পরে গ্রামের মসজিদে মাইকিং করে ডাকাত আখ্যা দিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি পুলিশ এ্যাসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open