জৈন্তাপুরে কিশোরী ধর্ষণ, নগরীতে ধর্ষক গ্রেফতার

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:: জৈন্তাপুরে তরুণীকে জোর পূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করা সেই অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।
সিলেট জেলার নাইওরপুল এলাকায় একক অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ধর্ষকের বাড়ী উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের ছাতারখাই গ্রামে।
সে মৃত আলাউর রহমানের ছেলে মারুফ আহমদ (২০)।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ধর্ষক মারুফ আহমদ সিলেট শহরের নাইওরপুল এলাকায় অবস্থান করছে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বনিক এসএমপি পুলিশের সহায়তায় (১৫ই সেপ্টেম্বর) রোববার রাত সাড়ে ৮টায় অপারেশন একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মারুফ আহমদকে গ্রেফতার করেন। ওই অভিযুক্ত ধর্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উপজেলা দরবস্ত ইউনিয়নের ছাতারখাই গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক পরিবারের মেয়ে। তার বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় রোদ্রে শুকানো কাপড় আনতে গেলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উৎ পেতে থাকে নারী লোভী মারুফ আহমদ। ওই তরুণীকে ঝাপটে ধরে মুখ বেঁধে নাম্বরবিহীন সিএনজি গাড়ীতে তুলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
সেখানে নিয়ে তরুণীকে কয়েক দফা ধর্ষণ করে। এদিকে বাড়ীর লোকজন তরুণ মেয়েকে না পেয়ে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজে থাকেন।
খোজাখুজির একপর্যায় মধ্যে গভীর রাতে মুখ বাঁধা অবস্থায় বাড়ীর নিকটবর্তী রাস্তার মধ্যে পুনরায় অটোরিকশা যোগে এনে ফেলে যায় মারুফ আহমদ।

ঘটনাটি জৈন্তাপুর মডেল থানায় অবহিত করলে পুলিশ হেফাজতে তরুণীকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।
এঘটনায় মেয়ের পিতা বাদি হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযোগটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৯(১) ধারায় মামলা হিসাবে রেকর্ড করে (যাহার নং-১০)।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক জানান, ইতোমধ্যে পর পর আমার থানা এলাকায় একটি অপহরন এবং দুটি ধর্ষণ মামলা হয়। থানা পুলিশে অভিযান পরিচালনা করে আসামি আটক করে ভিকটিম উদ্ধার করে।
গোপন সংবাদে ভিত্তিতে আমি ধর্ষকের অবস্থান যানতে পেরে এসএমপি’র সহায়তায় থাকে আটক করি। সোমবার (১৬ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় আদালতে প্রেরণ করি। ভিকটিম ওসিসিতে ভর্তি রয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open