শাবির উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শাবি প্রতিনিধি : স্বাস্থ্য বিমার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.আব্দুল হাই ও পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপকড. মো.রফিকুল ইসলাম।এছাড়া একই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ রেজিস্ট্রার হিসাব পরিচালক ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বিবাদি করা হয়েছে।সোমবার(১৬ সেপ্টেম্বর)মামলার

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার বাদি আইনজীবী এ এইচ এম এরশাদুল হক।তিনি জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিমার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিলেট সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১২ সেপ্টেম্বর পৃথক পথক মামলা করেছে অধ্যাপক ড.মো.আব্দুল হাই এবং ড.রফিকুল ইসলাম।মামলা নং যথাক্রমে -১৬৫/১৯ ও ১৬৬/১৯।যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এ

মামলা করেছে।আহনজীবী আরো জানান ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্সের মধ্যে ২ বছরের জন্য স্বাস্থ্য বিমা চুক্তি করা হয়।এছাড়া স্বাস্থ্য বিমাতে ক্লিয়ার করা নেই যে এর মাধ্যমে কে কতুটুকু উপকৃত হবে।এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের

অনেক শিক্ষক এই বিমার সাথে একমত হয় নি।তারা এ বিমা করতে রাজি না।এছাড়া বিমার জন্য আবেদন ফর্ম পূরণ করতে বলা হলেও তারা সে ফর্ম পূরণ করেন নি।তারপরও তাদের বেতন থেকে ২৭১ টাকা কেটে নিচ্ছে।যেখানে তাদের আপত্তি প্রেক্ষিতে তারা

মামলা দায়ের করেছে।মামলার বিষয়ে জানতে চাইতে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.আব্দুল হাই জানান আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে তা আমরা করতে আগ্রহী না।এ জন্য আমি প্রশাসন দপ্তরে একটি চিঠি দিয়েছিলাম।তারপরও বিমার জন্য আমার বেতন থেকে টাকা কাটা হচ্ছে এজন্য আমি আইনের দারস্থ হয়েছি।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের

রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন আমাদেরকে এ মামলার বিষয়ে কোন তথ্য জানানো হয় নি।তবে কেউ কোন বিষয়ে মামলা হলে বিষয়টি আমরা দেখবো।সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন তারা মামলা করেছে।আমরা কোর্টে গিয়ে মামলা লড়বো। আর বিমার বিষয়ে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তারা চাইলে রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জেনে নিতে পারেন।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open