যারা অস্ত্রবাজি করেন ক্যাডার পোষেন সাবধান হয়ে যান !,প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতির দায়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পর যুবলীগের কিছু নেতার কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি ছাত্রলীগের সদ্য অব্যাহতি পাওয়া সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে তুলনা করে যুবলীগের কিছু নেতার উদ্দেশে বলেন এরা আরও

খারাপ।যুবলীগ প্রসঙ্গে আলোচনার অবতারণা করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক।বৈঠকের এজেন্ডায় উল্লেখ থাকা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন দল

সাড়ম্বরে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করতে চায়।কিন্তু শেখ হাসিনা ঘটা করে জন্মদিন পালনে অনীহা দেখালে নানক উদাহরণ হিসেবে যুবলীগের শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।

পরে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও এ কথা উল্লেখ করে বলেন শনিবার যুবলীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা করেছে।তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন

চাঁদাবাজির টাকা বৈধ করতে মিলাদ মাহফিল করা হয়েছে।নিজের জন্য এমন মিলাদ মাহফিল তিনি চান না।এরপর যুবলীগ নিয়ে তার কাছে আসা নানা অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।শনিবার(১৪ সেপ্টেম্বর)দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে অনির্ধারিত

আলোচনায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।বৈঠকের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন যুবলীগের ঢাকা মহানগরের একজন নেতা(ঢাকা মহানগর যুবলীগের একটি অংশের সভাপতি)ক্রসফায়ার থেকে বেঁচে গেছে।আরেকজন(মহানগর দক্ষিণের একজন

সাংগঠনিক সম্পাদক)এখন দিনের বেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে চলেন,অস্ত্র নিয়ে ঘোরেন।এসব বন্ধ করতে হবে।

যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে তখন কেউ অস্ত্র নিয়ে বের হয়নি অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিবাদ করেনি।যখন দলের দুঃসময় ছিল তখন কেউ অস্ত্র নিয়ে দলের পক্ষে অবস্থান নেয়নি।এখন টানা তিন বার সরকারে আছি।অনেকের অনেক কিছু হয়েছে।কিন্তু আমার সেই

দুর্দিনের কর্মীদের অবস্থা একই আছে। যারা অস্ত্রবাজি করেন যারা ক্যাডার পোষেন তারা সাবধান হয়ে যান এসব বন্ধ করুন।

তা না হলে যেভাবে জঙ্গি দমন করা হয়েছে একইভাবে তাদেরকেও দমন করা হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open