গোলাপগঞ্জে আলোচিত দিপু হত্যাকারীদের কর্তৃক আবারও হামলার স্বীকার হলেন সেই পরিবারের


গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :গোলাপগঞ্জে দেড় বছর আলোচিত দিপু হত্যাকারীদের কর্তৃক আবারও হামলার স্বীকার হলেন ছেলে হারা সেই পরিবারের মহিলাসহ ৫ জন। ছেলেকে হত্যার পর দায়েরকৃত মামলার প্রায় দেড় বছর পর জামিনে এসে মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকির ঘটনার গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। হত্যাকারীরা তাতেও কান্ত না হয়ে ধারালো

অস্ত্রসহ হামলা চালায় দিপুর বাবা,মা ও বোনদের উপর। এ ঘটনায় পুনরায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চ্যলের সৃষ্টি হয়েছে।এ ঘটনায় নিহত দিপুর বাবা আলমাছ উদ্দিন ৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩ জনকে আসামী করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা সূত্রে জানাযায় বিগত ২০১৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর তোয়াফেল আহমদ দিপুকে আপন চাচা আলকাচ

জাহিদ অপুল ও চাচাত ভাই সাদিক আহমদ অনিক দোকান থেকে বাড়ী ফেরার পথে হত্যা করে পালিয়ে যায়।পরদিন একটি

কচুরিপনার ডোবা থেকে দিপুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পলাতক মাদক ব্যবসায়ী আলকাছ জাহিদ ও তার পুত্রকে আটক করে পুলিশ।এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় উপজেলা জুড়ে থমথমে ভাব বিরাজ করে। শোকের ছায়া নেমে আসে একজন মেধাবী ও ভালো ছেলে দিপু হত্যার ঘটনায়।আলোচিত দিপু হত্যার ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর ২ নং আসামী আলকাছ জাহিদ জামিনে আসার পর

বিভিন্ন ভাবে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় গোলাপগঞ্জ মডেল থানার প্রাণের নিরাপত্তা চেয়ে ১ আগস্ট একটি সাধারণ ডায়েরী করেন দিপুর বাবা আলমাছ উদ্দিন। ডায়েরী নং-৩৮, তাং-০১-০৮-১৯। সোমবার দুপুর ১ টার দিকে হত্যা মামলার ২ নল আসামী আলকাছ জাহিদ অপুল ও ১ নং আসামীর মাদক সেবী-ব্যবসায়ী বন্ধরা দিপুর বাড়ীতে হামলা করে। এসময় তাদের অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন দিপুর চাচি রাজিয়া বেগম রানী (৪০), তার চাচাত বোন ফারজানা

আক্তার ইমা (২২),ফারহানা আক্তার সিমা (১৮),ফাহমিদা আক্তার মিতা (১৭)। তাদের বাচাতে এসে দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন দিপুর বাবা ফ্রান্স প্রবাসী আলমাছ উদ্দিন। এ সময় তাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে গেলেও মামলার ২ নং আসামী আলকাছ জাহিদ অপুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার দিন গত সোমবার রাতে

দিপুর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হল- ঢাকাদক্ষিণ ইঘপির রায়গড় এলাকার মৃত মদরিছ আলীর পুত্র আলকাছ জাহিদ অপুল, তার স্ত্রী সাজনা বেগম, শরীফগঞ্জ ইউপির উজান মেহেরপুর গ্রামের মৃত হবিব আলীর পুত্র ও আলকাছ জাহিদের শ্যালক আক্তার হোসেনসহ অজ্ঞাত ৪ জন। এ ব্যাপারে দিপুর পিতা আলমাছ উদ্দিন জানান,ছেলেকে খুন করার

পরও তারা শান্ত হয়নি। জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলা তুলে নেয়ার জন্য আবারও হত্যার হমকি দিচ্ছে। এরই জেরে বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা করে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে না এলে আমাদেরকেও মেরে ফেলে পালিয়ে যেত তারা।এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান মিজান জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open