এখনো অধরা জাফলংয়ের ব্যবসায়ী আলীম উদ্দিন অপহরণের মূল হোতারা!


অনুসন্ধানী প্রতিবেদনঃ সিলেট জাফলংয়ের আলীম উদ্দিন অপহরনের আসল হোতারা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাহিরে,অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায় জাফলংয়ের ব্যবসায়ী আলীম উদ্দিন অপহরণের ঘটনায় যারা মূল নায়ক তারা রয়ে গেছে ধরাছোয়ার বাহীরে আসল হুতাদের বিরুদ্ধে

কোন  অভিযোগই উটেনি আসল হোতারা পেশী শক্তি প্রদর্শন এবং স্থানীয় কিছু আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম বাঙ্গিয়ে মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেস্টায় লিপ্ত রয়েছে এ ব্যাপারে তদন্তে মাঠে সুরমা টাইমস এর অনুসন্ধানী টিম,

তদন্তে নামার পর আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে তাকে থলের বিড়াল,অপহরণকারীরা সুকৌশলে আলীম উদ্দিনকে অপহরণের একটি ছক আঁটে,প্রথম দিনের অপারেশন তাদের ব্যর্থ হওয়ায় অপহরণকারীরা বিফল মনোরথে নগরীর পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করেন,

পরের দিন অপহরনকারীরা পুনরায় একত্রিত হয়,ওই দিন তাদের অপহরনের মিশন সফল হয়,কারন হতভাগা আলীম উদ্দিন অইদিন তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে নগরীতে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।অপহরন মিশনে অংশ গ্রহন করেন প্রায় সাত থেকে আট জনের সশস্ত্র একটি দল।তাদের মধ্যে তিনজন নিজেদের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগটনের নেতা বলে দাবি করেন।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বেরিয়ে আসে সশরীরে উপস্থিত থাকা কয়েকজনের নাম।তন্মধ্যে একজন স্বঘোষিত অপহরণকারী স্বেচ্ছায় প্রতিবেদকের কাছে দাম্ভিকতার সুরে স্বীকার উক্তি প্রদান করে বলেন আমি নিজেই অপহরনে অংশগ্রহণ করেছি,তিনি হলেন (১) দক্ষিন সুরমা থানাধীন সিলাম পশ্চিম পাড়া ইউনিয়ন নিবাসী আবু সাঈদ জুবেরী ছাদ,যিনি নিজেকে সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের ঘনিষ্ট বন্দু ও সহযোগী বলে দাবী করেন,

আবু সাঈদ জুবেরী ছাদ সম্পর্কে জানতে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত ০১৭১১****২৫ মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

(২) সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দক্ষিন সুরমা সুরিগাও বলদি এলাকার,শেখ আলী আশরাফ সুহেল,
(৩) সিলেট কোতোয়ালী থানাধীন ৩৩ কাস্টঘর এলাকার নিশান চৌধুরী।

এব্যাপারে সিলেট কতোয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত আসল ঘটনা উধঘাটন করতে ব্যার্থ পুলিশ প্রশাসন,

সুদীর্ঘ চার মাসেও ঘটনার কোনোও কূল কিনারা করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই অঞ্জন দাস

এব্যপারে মামলার তদন্তের অগ্রগতি ব্যাপারে জানতে এসআই অঞ্জন দাসের মুঠোফোনে একাদিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটেদেন,

আরো চমকপ্রদ তথ্য ও স্থির ও ভিডিও চিত্রসহ প্রতিবেদন থাকছে আগামী পর্বে।

Sharing is caring!

Loading...
Open