আমেরিকায় সন্তান জন্ম দিলেও নাগরিকত্ব মিলবে না

ছবিঃ সংগৃহীত

 

সহজে আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের নাগরিকরা স্ত্রীরা প্রেগনেন্ট অবস্থায় আমেরিকায় পারি জমান এবং সেখানেই সন্তান জন্ম দেন।আমেরিকায় নাগরিকত্বের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে কেউ জন্মগ্রহণ করলে সেই সন্তান

সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আমেরিকার নাগরিকত্ব এবং তার বাবা মাও আমেরিকায় বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি পাবেন।

কিন্তু পাল্টে যাচ্ছে এই নিয়ম।বৈধভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন না এমন ব্যক্তিদের সন্তান জন্ম লাভ করলেই কেউ আগামী দিনে জন্মস্থান আমেরিকা হওয়ায় জন্মসূত্রে আমেরিকান নাগরিকত্ব পাবে না।আগামী দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড

ট্রাম্প এই নিয়মের পরিবর্তন করতে চাইছেন। সেই জন্য অধ্যাদেশও জারী করবেন। আর অধ্যাদেশ জারি করেই আগামীতে এটা বন্ধ করা হতে পারে।ইতোমধ্যে এই বিষয়ে ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেনও। সর্বশেষ তিনি গত ২১ আগস্টও একথা বলেছেন।

হোয়াইট হাউজের সামনে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নয় কিংবা যে মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ

করছেন, তারা এখানে সন্তান জন্ম দিলে তাদের সন্তান আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করছে। তিনি এই বিধান বন্ধ করতে চান।

সাংবাদিকদের তিনি জানান,আমরা জন্মস্থান বিবেচনায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা ও বিবেচনা করছি।একজন মানুষ সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে প্রবেশ করলেন এবং এখানে আসার পর সন্তান জন্ম দিলেন।তাকে মার্কিন

নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। আসলে এই বিষয়টি হাস্যকর।এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যারা নাগরিক তাদের সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন স্টেটে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোন দেশে জন্ম নিলেও তারা বাবা কিংবা মায়ের সূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে। নতুন নিয়ম

কবে নাগাদ কার্যকর করবেন এই সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোন কিছু স্পষ্ট করেননি এবার।তবে এর আগে গত বছর তিনি অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছিলেন, একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডার জারি করে অবৈধভাবে আসা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক কিংবা

পারমান্যান্ট রেসিডেন্ট নন তাদের কারো সন্তান এখানে জন্ম নিলে জন্মস্থান বিবেচনায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের যে বিধান, তা রাখবেন না।ট্রাম্পের এই বিষয়টি আগামী ২০২০ সালের নির্বাচনের সময় একটি বড় বিষয় হতে পারে।এছাড়াও ট্রাম্পের

অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন এক্সকিউটিভ অর্ডার ইতোমধ্যে আমেরিকানদের পক্ষে গেছে।অবৈধভাবেভাবে এই দেশে অভিবাসী হতে যারা আসছেন তাদের আসা বন্ধ করার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প।অবৈধ অভিবাসী আসা বন্ধ করার জন্যও নানা

পদক্ষেপ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে বৈধ উপায়ে যেসব মানুষ ইমিগ্রেন্ট হিসাবে আমেরিকায় আসছেন তাদের ব্যাপারেও বিভিন্ন নিয়ম করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সর্বশেষ পাবলিক চার্জের নতুন রুল করা হয়েছে। এটি কার্যকর হবে ১৫ অক্টোবর।

পাবলিক চার্জের বিষয়টি এই ক্ষেত্রে একটি বড় উদাহরণ। আগামী দিনে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় তিনি আরও কড়াকড়ি আরোপ করতে পারেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open